ঢাকা   মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০১৯ | ১২ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ১৬ হাজার কোটি ডলারের যুদ্ধবিমান কিনছে মিসর (আন্তর্জাতিক)        নিউ জিল্যান্ডের মসজিদে হামলা : উদ্দেশ্য ‘লাইভ সম্প্রচার’ (আন্তর্জাতিক)        ক্যালিফোর্নিয়ায় মাতলামির অভিযোগে আটক পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট (আন্তর্জাতিক)        বোয়িংয়ের নিরাপত্তার বিষয়টিকে ‘সর্বোচ্চ’ গুরুত্ব দেয়া হবে : সিইও (আন্তর্জাতিক)        অস্ট্রেলিয়ায় খুনের অপরাধে ১ ব্যক্তির ১১ বছরের কারাদন্ড (আন্তর্জাতিক)        মেক্সিকোর দূত হিসেবে রক্ষণশীল আইনপ্রণেতার নাম ঘোষণা ট্রাম্পের (আন্তর্জাতিক)        ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৯ (আন্তর্জাতিক)        নেদারল্যান্ডসে হামলাকারী চিহ্নিত, ছবি প্রকাশ (আন্তর্জাতিক)        মোজাম্বিকে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে সহস্স্রাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা (আন্তর্জাতিক)        সালাম দিয়ে বক্তব্য শুরু করেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী (আন্তর্জাতিক)      

আদালতে দ. কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট লী’র জামিন মঞ্জুর

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:23:24 pm, 2019-03-06 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আজ ডেক্সঃ দক্ষিণ কোরিয়ার সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট লী মিউং-বেক’কে গতকাল বুধবার জামিন দেয়া হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার প্রায় এক বছর পর তিনি জামিন পেলেন। খবর এএফপি’র। সিইও থেকে দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়া এ নেতা ঘুষ গ্রহণ ও আর্থিক জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গত অক্টোবরে তাকে ১৫ বছরের কারাদ- দেয়া হয়। ২০০৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের খবরে বলা হয়, ৭৭ বছর বয়সী লী’র শারীরিক অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে সিউলের উচ্চ আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। বার্ধক্য এবং ডায়াবেটিস ও ঘুমের জটিলতার কথা উল্লেখ করে গত জানুয়ারি মাসে লী জামিন আবেদন করেন। কয়েকশ’ কোটি ডলারের তহবিল আত্মসাৎ করায় এবং ঘুষ গ্রহণের বিনিময়ে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্সের চেয়ারম্যান লী কুন-হী’কে ক্ষমা করে দেয়ায় লী’কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। কর ফাঁকি দেয়ার দায়ে হী’র কারাদ- হয়েছিল। রক্ষণশীল এ রাজনীতিবিদ কোন ধরনের অপরাধ করার কথা অস্বীকার এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দায়ের করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দক্ষিণ কোরীয় রাজনীতির ধারার ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, দেশটির অনেক প্রেসিডেন্টকেই তাদের মেয়াদ শেষে কারাগারে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা প্রেসিডেন্টের ব্লু হাউজে প্রবেশ করলেই সাধারনত: এমনটা ঘটছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার জীবিত চার প্রেসিডেন্টের সকলকে ফৌজদারি অপরাধের দায়ে সাজা দেয়া হয়েছে।