ঢাকা   ১৯ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যা: বাবার পক্ষে লড়বেন না কোনো আইনজীবী (আইন ও বিচার)        যেখানে দুর্নীতি-টেন্ডারবাজি, সেখানেই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        সড়কে দুর্ঘটনা এাড়তে সবাইকে সচেতন হবার আহবান প্রধানমন্ত্রীর (জাতীয়)        বাংলাদেশের কৃষি এখন বিশ্বের অন্যতম রোল মডেলু: খাদ্যমন্ত্রী (জাতীয়)        প্রচুর অন্যায় এদেশে গেড়ে বসে আছে: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        জামালপুরে ঘুষের টাকাসহ হাসপাতাল কর্মচারী আটক (জেলার খবর)        আজারবাইজানের ন্যাম সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী (জাতীয়)        সংবাদকর্মীদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস তথ্য প্রতিমন্ত্রীর (জাতীয়)        আবরার হত্যা নিয়ে বিএনপির নোংরা রাজনীতি পরিহার করা উচিত: হানিফ (রাজনীতি)        জামালপুরে শিশু নির্যাতন সম্পর্কে স্বভাব নেতাদের সাথে কর্মশালা (জামালপুরের খবর)      

অতিরিক্ত চাপ নয়, হেসে-খেলে শিশুদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:14:52 pm, 2019-03-13 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আজ ডেক্সঃ অতিরিক্ত চাপে লেখাপড়া নিয়ে শিশুদের মধ্যে যেন ভীতি তৈরি না হয় সেজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের নজর দেওয়ার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শিক্ষার জন্য অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত না। তাদের পড়াশোনাটা তারা যেন খেলতে খেলতে, হাসতে হাসতে সুন্দরভাবে নিজের মতো করে নিয়ে পড়তে পারে সেই ব্যবস্থাটাই করা উচিত। সেখানে অনবরত পড়, পড়, পড় বলাটা বা তাদের ধমক দেওয়াটা আরও বেশি চাপ দিলে শিক্ষার উপর আগ্রহটা কমে যাবে। একটা ভীতি সৃষ্টি হবে। সেই ভীতিটা যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য আমাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের আমি অনুরোধ করব। শেখ হাসিনা বলেন, অনেক সময় আমরা দেখি প্রতিযোগিতাটা শিশুদের মধ্যে না হলেও মায়েদের মধ্যে বা বাবা-মায়ের মধ্যে একটু বেশি হয়ে যায়। এটাও কিন্তু একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলে আমি মনে করি। কারণ সকল শিক্ষার্থীর তো সমান মেধা থাকবে না। সবাই সমানভাবে করতে পারবে না। স্বভাবতই স্বাভাবিকভাবে যার যতটুকু আসবে তাকে সেভাবে সহযোগিতা করতে হবে। শিক্ষাটাকে আপন করে নিয়ে সে যেন শিখতে পারে। শিশুরা কেবল ঘরে বসে শিখবে না, দেখেও শিখবে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নিজেদেরকে গড়ে তুলবে, লেখাপড়ায় মনোযোগ দেবে। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা..যার যে গুণ আছে, সেটা যাতে বিকশিত হয়। শিশুদের মধ্যে থাকা সুপ্ত প্রতিভা যেন বিকশিত হয় সেজন্য আমাদের সবার কাজ করতে হবে। আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতের কর্ণধার। হয়তো এর মধ্যে থেকেই কেউ আমার মতই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের বিশেষ চাহিদা রয়েছে তাদের শেখাতে হবে। এরাও মানুষ, একই সাথে পাশাপাশি থাকবে। তাদের দেখাশোনার দায়িত্ব যারা সুস্থ শিশু তারাই নেবে। বন্ধু হবে, তারা পড়াশোনা করবে। শিশুদের ইংরেজি শিক্ষা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের একটা প্রবণতা আছে, অনেকে ধারণা করেন ইংরেজি শিক্ষাটা না দিলে বোধ হয় শিক্ষাই গ্রহণ করা হল না। এই ধারণাটা কিন্তু ঠিক নয়। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একটা বিষয় আমি দেখেছি ক্লাস ওয়ানে ভর্তির জন্য ছাপানো প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। ওয়ানে ভর্তির জন্য যদি ছাপানো প্রশ্নপত্র দিয়েই পরীক্ষা দিতে পারে তাহলে আর ক্লাস ওয়ানে শিখতে যাবে কি? এই প্রক্রিয়াটা কিন্তু বাতিল করতে হবে। এলাকাভিত্তিক যে সকল প্রাইমারি স্কুল আছে এটা ঢাকা শহর হোক, সারা বাংলাদেশ হোক- ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আরও ভালোভাবে নিতে হবে। ওই এলাকার সমস্ত শিশুর স্কুলে ঢোকার বয়স হওয়ার সাথে সাথে স্কুলে নিতে হবে। বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।