ঢাকা   ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বেসরকারি খাতে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আয় বাড়লেও কমেছে রেলের আয় (জাতীয়)        প্রশাসনেও শুদ্ধি অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার (জাতীয়)        সিরিজে অধিনায়কের চোখে প্রাপ্তি (ক্রিকেট)        হারের কারণ জানা থাকলেও সমাধান অজানা (ক্রিকেট)        রুবেলের ৭ উইকেট ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে (ক্রিকেট)        ন্যাটোতে রুশ অস্ত্রের কোনো ঠাঁই নেই: ট্রাম্প (আন্তর্জাতিক)        ইরাকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে ১ মাসে নিহত ৩১৯ (আন্তর্জাতিক)        স্পেনের সাধারণ নির্বাচনে ফের জয়ী ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টি (আন্তর্জাতিক)        বাবরি মসজিদের রায় : জমি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ২৬ নভেম্বর (আন্তর্জাতিক)        বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট (আন্তর্জাতিক)      

‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দের আগে ‘ভুয়া’ ব্যবহার করা যাবে না: হাইকোর্ট

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:02:20 pm, 2019-05-14 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আজ ডেক্সঃ কাউকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ না বলতে এবং ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দটির আগে ‘ভুয়া’ শব্দটি ব্যবহার না করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যম কর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছে হাই কোর্ট। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও কে এম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ বলেছে, কেউ এর বত্যয় ঘটালে তাকে তলব করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল সংক্রান্ত এক রিট মামলার শুনানিতে গতকাল মঙ্গলবার আদালতের এই অভিমত আসে। রাষ্ট্রপক্ষে এ সময় আদালতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আদালত বলেছে, কোনো ব্যক্তি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া সনদের মাধ্যমে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করতে পারেন। কিন্তু তিনি তো মুক্তিযোদ্ধা নন। এ ধরনের ব্যক্তির কারণে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দের আগে ‘ভুয়া’ শব্দটি ব্যবহার করলে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হয়। আদালত সতর্ক করে বলেছে, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘ভুয়া’ শব্দটি ব্যবহার করা যাবে না। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী-কর্মকর্তা হোক বা গণমাধ্যমের কোনো কর্মী হোক বা প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া হোক- কেউ যেন ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দের আগে ‘ভুয়া’ শব্দটি ব্যবহার না করেন। বাশার বলেন, হাই কোর্ট আজ সবার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন, যদি এর ব্যত্যয় ঘটে এবং জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা হয়, তাহলে প্রয়োজনে ওঁরা তলব করতে পারেন। ২০০২ সালের মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের ৭ (ঝ) ধারা উল্লেখ করে আদালত বলেছে, সেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি যদি জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া সনদ নিয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে, তাহলে সেটা ওই ব্যক্তির অপরাধ বা দোষ। প্রয়োজনে সে ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার এ ভুলের কারণে সামগ্রিকভাবে সকল মুক্তিযোদ্ধার যে অবদান, যে সম্মান, সেটাকে কটাক্ষ করে ‘ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দ ব্যবহার করা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন বৈ আর কিছু নয়।