ঢাকা   ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  পানির দাম ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক: টিআইবি (জাতীয়)        চীনকে মাস্ক-গ্লাভসসহ চিকিৎসা সামগ্রী দিল বাংলাদেশ (জাতীয়)        কচুরিপানা খেতে বলিনি, গবেষণা করতে বলেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী মেলেনি, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ (জাতীয়)        শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়: সেনাপ্রধান (জাতীয়)        ফখরুলের সঙ্গে কথোপকথনের রেকর্ড আছে: কাদের (রাজনীতি)        দক্ষিণ এশিয়ায় বসবাসের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাংলাদেশ (জাতীয়)        খালেদার প্যারোল নিয়ে কাদেরের সঙ্গে কথা হয়নি: ফখরুল (রাজনীতি)        দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ভূগর্ভস্থ লাইন নির্মাণের উদ্যোগ (জাতীয়)        বকশিগঞ্জ উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)      

হবিগঞ্জে শিক্ষকের বেতের আঘাতে শিক্ষার্থীর চোখ নষ্টের আশঙ্কা

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:48:14 pm, 2019-09-09 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ হবিগঞ্জে শিক্ষকের বেতের আঘাতে এক শিশু শিক্ষার্থীর চোখ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। সদর উপজেলার যাদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এই ছাত্রীকে ঢাকা চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হবিগঞ্জ থানার ওসি মো. মাসুক আলী জানান, গত রোববার ক্লাস চলাকালে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিরঞ্জন দাশ বেত ছুড়ে মারলে তা সরাসরি ওই শিশুটির চোখে লাগে। এতে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে হৈ চৈ হলে স্থানীয়রা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক মিঠুন রায় বলেন, চোখের ভেতরে আঘাত লাগার কারণে খুব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চোখটি ভাল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক নিরঞ্জন দাশ আঘাত করার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়া নিচ্ছিলাম। এ সময় যারা পড়া পারছিল না তাদের বেত্রাঘাত করি। এ সময় ক্লাসের দরজার সামনে কিছু শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে হৈচৈ করছিল। আমি তাদের বারবার ধমক দিলেও তারা সেখানে দাঁড়িয়ে থাকলে হাতের বেত ছুড়ে মারলে তা গিয়ে শিশুটির চোখে লাগে। এটি আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল। শিক্ষার্থীদের বেত দিয়ে আঘাত করার কোনো বিধান নেই বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।