ঢাকা   ১৮ জানুয়ারী ২০২০ | ৫ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  পাকিস্তান বাংলাদেশকে তিন সিরিজেই হারাবে: উমর গুল (খেলাধুলা)        যে কারনে পাকিস্তান যাবেন না মুশফিক (খেলাধুলা)        বাংলাদেশে আসছেন ব্রাজিলের তারকা গোলরক্ষক জুলিও সিজার (খেলাধুলা)        পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী (আন্তর্জাতিক)        ট্রাম্পের অভিসংশন: জুরি হিসেবে সিনেটরদের শপথ গ্রহণ (আন্তর্জাতিক)        যুদ্ধ এড়াতে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সংলাপ চান রুহানি (আন্তর্জাতিক)        ধর্ষককে পুড়িয়ে মারল ক্ষুব্ধ জনতা (আন্তর্জাতিক)        এবারই প্রথম সিনেমার গানে ওয়ারফেইজ (বিনোদন)        ভালোবাসা দিবসের নাটকে তিশা (বিনোদন)        ডাক্তার হলেন মিষ্টি জান্নাত (বিনোদন)      

পাবনায় ধর্ষণের পর থানায় বিয়ে: ইউনিয়ন আ. লীগ নেতা গ্রেফতার

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:13:08 pm, 2019-09-11 |  দেখা হয়েছে: 3 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ পাবনায় গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ এবং থানায় তাদের একজনের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার ঘটনার অন্যতম আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘন্টু দাপুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার অফিসেই ওই নারীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবনে মিজান বলেন, গত মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে টেবুনিয়া খাদ্যগুদাম এলাকা থেকে মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে (৩৮) গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই খাদ্যগুদামের পেছনে ঘন্টুর অফিস, যেখানে ওই নারীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে। ঘন্টুর ওই অফিসে কী কাজ হয় সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে পারেনি। তবে ঘন্টুর বৈধ কোনো ব্যবসা নেই বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘন্টুর বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ আছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা এবনে মিজান। এদিকে ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই নারীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা এবনে মিজান বলেন, পাবনা সদর হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। পরে ওই নারীকে তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিন সন্তানের জননী ওই নারীর অভিযোগ, প্রতিবেশী রাসেল আহমেদ গত ২৯ অগাস্ট তাকে তার বাড়িতে নিয়ে এক সহযোগীসহ পালা করে ধর্ষণ করে। দুদিন পর তাকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখা হয় এবং সেখানে আরও ৪/৫ জন তাকে পালা করে ধর্ষণ করে। ওই নারী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানালে ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেই গৃহবধূর নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ রাসেলকে আটক করে। কিন্তু মামলা নথিভুক্ত না করে পুলিশ ওই রাতেই রাসেলের সঙ্গে তার বিয়ে দেয়। এ বিষয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষ ওসি ওবাইদুল হককে কারণ দর্শাতে বলেছে। এ ছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরে থানায় মামলা নেওয়া হয়। ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!