ঢাকা   বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ (ক্রিকেট)        নার্সিং প্রশিক্ষণ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী (জাতীয়)        ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মেগা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে: সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে মেয়র খোকন (জাতীয়)        স্কুলে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের চিন্তা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী (জাতীয়)        দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এনবিআর এর টাস্কফোর্স কমিটি গঠন (ব্যবসা-বাণিজ্য)        ঢাবিতে ছাত্রলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি (অপরাধ)        রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সঙ্গে জড়িতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে রয়েছে চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        নিউইয়র্ক সফরে দুটি সম্মাননা পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী (জাতীয়)        ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ খুন, স্বামী আটক (ময়মনসিংহ)      

ধর্ষণের পর থানায় বিয়ে: প্রশাসনের সার্বিক পদক্ষেপে নজর রাখছে হাইকোর্ট

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:18:49 pm, 2019-09-11 |  দেখা হয়েছে: 4 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ পাবনায় দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূর মামলা না নিয়ে থানা চত্বরে সন্দেহভাজন এক আসামির সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ প্রশাসনের সার্বিক পদক্ষেপে নজর রাখছে হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে এ ঘটনার প্রকাশিত খবর তুলে ধরে সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে স্বপ্রণোদিত আদেশ চান সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী। তখন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, ‘মিডিয়ার মাধ্যমে আমরাও বিষয়টা নজরে রাখছি।’ আদালতে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ তুলে ধরেন আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল; সঙ্গে ছিলেন গাজী ফরহাদ রেজা ও রোহানী সিদ্দিকা। পরে ফয়সাল বলেন, পাবনার বিষয়টি নিয়ে কিছু পত্রিকার প্রকাশিত নিউজ কোর্টের নজরে এনেছিলাম। আদালত বললেন যে, এ বিষয়ে তো ইতোমধ্যে প্রশাসন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে; ওসিকে শোকজ করা হয়েছে। এটা নিয়ে আপনারা আবার কেন আসছেন? তখন আমি বললাম, ওসিকে শোকজ করা হয়েছে ঠিক। কিন্তু আজকের পত্রিকায় এসেছে বিয়ের কাজি, যিনি বিয়েটা পড়াতে অসম্মতি জানিয়েছিলেন, তাকে এবং ভিকটিমের পরিবারকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ওসির লোকজন। ওই ওসি যদি ওই থানায় দায়িত্বে বহাল থাকে তাহলে তদন্তটি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে, তদন্ত ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তখন আদালত বলেন যে, যেহেতু এটা প্রশাসনিক বিষয় এবং যেহেতু কর্তৃপক্ষ অ্যাকশন নিচ্ছে, দেখেন প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়। যদি প্রশাসনের ব্যবস্থা সন্তোষজনক না হয় তখন আপনারা আগামি সপ্তাহে আসেন আমরা দেখব। আদালত এও বলেছেন, মিডিয়ার মাধ্যমে আমরাও বিষয়টা নজরে রাখছি। মামলা না নিয়ে ‘ধর্ষণের শিকার’ গৃহবধূর সঙ্গে থানা চত্বরে ‘ধর্ষণকারীর’ বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সোমবার পাবনা সদর থানার ওসি ওবাইদুল হকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে; গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। গত শুক্রবার রাতে পাবনা সদর থানায় জোর করে এ দুজনের বিয়ে দেওয়া হয় বলে ওই নারীর অভিযোগ। আর যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘রিমান্ডের ভয় দেখিয়ে’ পুলিশ তাদের বিয়ে দিয়েছে। তিন সন্তানের জননী ওই নারীর অভিযোগ, প্রতিবেশী রাসেল আহমেদ গত ২৯ অগাস্ট তাকে তার বাড়িতে নিয়ে এক সহযোগীসহ পালা করে ধর্ষণ করে। দুদিন পর তাকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখা হয় এবং সেখানে আরও ৪/৫ জন তাকে পালা করে ধর্ষণ করে। ওই নারী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানালে ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেই গৃহবধূর নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ রাসেলের সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা করে বলে ওই নারীর অভিযোগ।