ঢাকা   শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ | ৩ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যা: বাবার পক্ষে লড়বেন না কোনো আইনজীবী (আইন ও বিচার)        যেখানে দুর্নীতি-টেন্ডারবাজি, সেখানেই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        সড়কে দুর্ঘটনা এাড়তে সবাইকে সচেতন হবার আহবান প্রধানমন্ত্রীর (জাতীয়)        বাংলাদেশের কৃষি এখন বিশ্বের অন্যতম রোল মডেলু: খাদ্যমন্ত্রী (জাতীয়)        প্রচুর অন্যায় এদেশে গেড়ে বসে আছে: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        জামালপুরে ঘুষের টাকাসহ হাসপাতাল কর্মচারী আটক (জেলার খবর)        আজারবাইজানের ন্যাম সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী (জাতীয়)        সংবাদকর্মীদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস তথ্য প্রতিমন্ত্রীর (জাতীয়)        আবরার হত্যা নিয়ে বিএনপির নোংরা রাজনীতি পরিহার করা উচিত: হানিফ (রাজনীতি)        জামালপুরে শিশু নির্যাতন সম্পর্কে স্বভাব নেতাদের সাথে কর্মশালা (জামালপুরের খবর)      

কলেজের শিক্ষকরা একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:49:22 am, 2019-09-18 |  দেখা হয়েছে: 10 বার।

নকলা সংবাদদাতা: শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা কলেজের অধ্যক্ষের অনিয়মের সুযোগে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে। জানা গেছে, অধ্যক্ষ তার নিজের নিয়োগে পদত্যাগকৃত পূর্ব পদের প্রায় ১৪ মাস বেতন উত্তোলন করেন। যা শিক্ষানীতি বর্হিভুত। এ কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মাহবুব হোসাইন রূপম বানেশ^র্দী দাখিল মাদ্রাসায়, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক তারিকুজ্জামান চকবড়ইগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের শিক্ষক অমিত কুমার দেব বাছুর আলগা দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের শিক্ষক শিরিন আক্তার জামালপুর সদর উপজেলার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একইরূপ ভাবে মতিয়র রহমান, জেবউন নেছা একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। স্টাফ প্যার্টান অতিরিক্ত একজন বাংলা শিক্ষক ও একজন প্রদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একই সাথে তাঁরা একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছে। শিক্ষক রূপম ও তারিকুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে মাদ্রাসা শিক্ষক রূপম জানায়, ফাঁকে ফাঁকে কলেজের দু’একটি ক্লাস নিই। কিন্তু তারিকুজ্জামান বলেন, এমন বহু প্রতিষ্ঠানে আমরা নাম দেয়া আছে। অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন দিতে পারি না। নামে মাত্র ভাতা প্রদান করে থাকি। তারা মাঝে মাঝে আমাকে ক্লাস কর্মসূচীতে সহযোগীতা করে থাকে। এসকল বিষয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসক ও উপপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ জোন অফিসে সদ্য বরখাস্ত শিক্ষক রহুল আমিন অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয় গুলো নিয়ে শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার নানা মহলের মানুষ।