ঢাকা   ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সরিষাবাড়ীতে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)        বকশিগঞ্জ শিক্ষার্থীবিহীন দুস্থ্য প্রতিবন্ধী কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ৯ প্রতিবন্ধীর শিক্ষাবৃত্তি (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের উরশ (জেলার খবর)        শ্রীবরদীতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচেতনতা শীর্ষক প্রচার, প্রেস ব্রিফিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত (জেলার খবর)        একনেকে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ব্যয়ে ৯ প্রকল্প অনুমোদন (জাতীয়)        পানির দাম ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক: টিআইবি (জাতীয়)        চীনকে মাস্ক-গ্লাভসসহ চিকিৎসা সামগ্রী দিল বাংলাদেশ (জাতীয়)        কচুরিপানা খেতে বলিনি, গবেষণা করতে বলেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী মেলেনি, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ (জাতীয়)        শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়: সেনাপ্রধান (জাতীয়)      

কলেজের শিক্ষকরা একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:49:22 am, 2019-09-18 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

নকলা সংবাদদাতা: শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা কলেজের অধ্যক্ষের অনিয়মের সুযোগে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে। জানা গেছে, অধ্যক্ষ তার নিজের নিয়োগে পদত্যাগকৃত পূর্ব পদের প্রায় ১৪ মাস বেতন উত্তোলন করেন। যা শিক্ষানীতি বর্হিভুত। এ কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মাহবুব হোসাইন রূপম বানেশ^র্দী দাখিল মাদ্রাসায়, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক তারিকুজ্জামান চকবড়ইগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের শিক্ষক অমিত কুমার দেব বাছুর আলগা দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের শিক্ষক শিরিন আক্তার জামালপুর সদর উপজেলার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একইরূপ ভাবে মতিয়র রহমান, জেবউন নেছা একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। স্টাফ প্যার্টান অতিরিক্ত একজন বাংলা শিক্ষক ও একজন প্রদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একই সাথে তাঁরা একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছে। শিক্ষক রূপম ও তারিকুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে মাদ্রাসা শিক্ষক রূপম জানায়, ফাঁকে ফাঁকে কলেজের দু’একটি ক্লাস নিই। কিন্তু তারিকুজ্জামান বলেন, এমন বহু প্রতিষ্ঠানে আমরা নাম দেয়া আছে। অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন দিতে পারি না। নামে মাত্র ভাতা প্রদান করে থাকি। তারা মাঝে মাঝে আমাকে ক্লাস কর্মসূচীতে সহযোগীতা করে থাকে। এসকল বিষয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসক ও উপপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ জোন অফিসে সদ্য বরখাস্ত শিক্ষক রহুল আমিন অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয় গুলো নিয়ে শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার নানা মহলের মানুষ।