ঢাকা   মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০ | ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে ৬শ অসহায় পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই: আশরাফুল ইসলাম বুলবুল (জামালপুরের খবর)        করোনা দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের সমস্যা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        গন্তব্যে পৌছবে কি ছানুর নৌকা (জামালপুরের খবর)        বেতন ও বোনাসের টাকায় ঈদ সামগ্রী নিয়ে দেড়শ মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কিরন আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ভাগ্য বিড়ম্বিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে তরুনদের সহায়তায় দুইশত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ (জামালপুরের খবর)        ময়মনসিংহে ৩শ দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেনা প্রধানের ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন আর্টডক সদস্যরা (ময়মনসিংহ)        করোনা যোদ্ধা নার্সিং সুপারভাইজার শেফালী দাস শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন (ময়মনসিংহ)        বিদ্যানদীর মত সকল সামাজিক সংগঠন যদি এই দুর্যোগের সময়ে এগিয়ে আসে তবে সরকারের উপর চাপ অনেকংশে কমে যাবে -মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)      

জুয়ার পাশাপাশি অবৈধ বারেও চালানো হবে বিশেষ অভিযান

Logo Missing
প্রকাশিত: 10:31:22 pm, 2019-09-21 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক অবৈধ মদের বার গড়ে উঠেছে। মূলত অভিজাত পরিবারের ধনাঢ্য সন্তানদের বিনোদনের জন্যই এসব বারের সৃষ্টি। পুলিশের তালিকায় এসব অবৈধ বারের খোঁজ মিলেছে। ওসব বারে চলে অসামাজিক কার্যকলাপ। পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের অপরাধও। গত দুই বছর ধরে এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ অসৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে ম্যানেজ করে এ ধরনের কার্যকলাপ চলছে। ওসব অবৈধ বারগুলো থেকেই জুয়ার আসর ক্যাসিনোয় মাদক যায়। এমন পরিস্থিতিতে ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি অবৈধ এসব বারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে রাজধানীর শতাধিক বার রয়েছে। তার মধ্যে বায়ান্নটি অনুমোদিত। বাকিগুলো অবৈধ। ওসব অবৈধ এসব বারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামছে পুলিশ। এক সময় রাজধানীতে পুলিশের অবৈধ আয়ের বড় উৎস ছিল মাদক স্পট। কিন্তু বিগত বছরগুলোয় মাদক স্পটের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোয় মাদক স্পটগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে গেছে। এ কারণে অবৈধ আয়ের দৃষ্টি এখন বারগুলোর দিকে। অবৈধ একেকটি বার থেকে স্থানীয় থানা পুলিশ মাসোহারা পায় বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র জানায়, রাজধানীর ফাইভ স্টার ও ফোর স্টার হোটেলগুলোয় সরকার অনুমোদিত বারে চাঁদাবাজির অভিযোগ নেই। কিন্তু ওসব হোটেলের বাইরে মগবাজার, তেজগাঁও, কাকরাইল, গুলশান, বনানী, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অবৈধ বার চলে। ওসব অবৈধ বারে এক শ্রেণীর অসৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাইরেও স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপকে চাঁদা দিতে হয়। সূত্র আরো জানায়, রাজধানীর অভিজাত এলাকার বার ও ক্লাবগুলোতে প্রতিদিনই কোটি টাকার চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও পিছিয়ে নেই। বার ও ক্লাবগুলোয় মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবহার প্রতিরোধে নিয়োজিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। ওসব বার ও ক্লাবে অভিজাত পরিবারের ধনীর দুলাল দুলারীই বিনোদনের জন্য গিয়ে থাকেন, যা অভিভাবকদেরও অজানা নয়। এদিকে এ প্রসঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এক উর্ধতন কর্মকর্তা জানান, রাজধানীতে ১০২ বার রয়েছে, এর মধ্যে ৫২ বার সরকার অনুমোদিত। এর পাশাপাশি অনুমোদনবিহীন অলিখিত আরো অন্তত ৫০টি বার চরছে। মাদকদ্রব্য অধিদফতরের কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ বারগুলোকে সহযোগিতা বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।