ঢাকা   ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  চট্টগ্রামে বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে চার কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার (অপরাধ)        ব্যাটারিচালিত যানবাহন চার্জে কম দামে বিদ্যুৎ দেবে সরকার (বাংলাদেশ)        বাড়তি ব্যাটসম্যান না রাখার মাশুল দিল বাংলাদেশ (খেলাধুলা)        গোলাপি বল নাকি সর্ষে ফুল? (খেলাধুলা)        এসএ গেমসের ড্র: বাংলাদেশ খেলবে এ-গ্রুপে (খেলাধুলা)        যৌন হয়রানির অভিযোগে টেনিসের সাধারণ সম্পাদক বরখাস্ত (খেলাধুলা)        বাতিল হচ্ছে আসামের এনআরসি (আন্তর্জাতিক)        আফ্রিকার কঙ্গোতে মহামারি হামে ৫০০০ মৃত্যু (আন্তর্জাতিক)        ২১ বছর বয়সেই বিচারপতি (আন্তর্জাতিক)        রানুর মেকআপ আর্টিস্ট ভাইরাল ছবির ব্যাখ্যা দিলেন (বিনোদন)      

জুয়ার পাশাপাশি অবৈধ বারেও চালানো হবে বিশেষ অভিযান

Logo Missing
প্রকাশিত: 10:31:22 pm, 2019-09-21 |  দেখা হয়েছে: 8 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক অবৈধ মদের বার গড়ে উঠেছে। মূলত অভিজাত পরিবারের ধনাঢ্য সন্তানদের বিনোদনের জন্যই এসব বারের সৃষ্টি। পুলিশের তালিকায় এসব অবৈধ বারের খোঁজ মিলেছে। ওসব বারে চলে অসামাজিক কার্যকলাপ। পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের অপরাধও। গত দুই বছর ধরে এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ অসৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে ম্যানেজ করে এ ধরনের কার্যকলাপ চলছে। ওসব অবৈধ বারগুলো থেকেই জুয়ার আসর ক্যাসিনোয় মাদক যায়। এমন পরিস্থিতিতে ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি অবৈধ এসব বারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে রাজধানীর শতাধিক বার রয়েছে। তার মধ্যে বায়ান্নটি অনুমোদিত। বাকিগুলো অবৈধ। ওসব অবৈধ এসব বারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামছে পুলিশ। এক সময় রাজধানীতে পুলিশের অবৈধ আয়ের বড় উৎস ছিল মাদক স্পট। কিন্তু বিগত বছরগুলোয় মাদক স্পটের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোয় মাদক স্পটগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে গেছে। এ কারণে অবৈধ আয়ের দৃষ্টি এখন বারগুলোর দিকে। অবৈধ একেকটি বার থেকে স্থানীয় থানা পুলিশ মাসোহারা পায় বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র জানায়, রাজধানীর ফাইভ স্টার ও ফোর স্টার হোটেলগুলোয় সরকার অনুমোদিত বারে চাঁদাবাজির অভিযোগ নেই। কিন্তু ওসব হোটেলের বাইরে মগবাজার, তেজগাঁও, কাকরাইল, গুলশান, বনানী, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অবৈধ বার চলে। ওসব অবৈধ বারে এক শ্রেণীর অসৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাইরেও স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপকে চাঁদা দিতে হয়। সূত্র আরো জানায়, রাজধানীর অভিজাত এলাকার বার ও ক্লাবগুলোতে প্রতিদিনই কোটি টাকার চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও পিছিয়ে নেই। বার ও ক্লাবগুলোয় মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবহার প্রতিরোধে নিয়োজিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। ওসব বার ও ক্লাবে অভিজাত পরিবারের ধনীর দুলাল দুলারীই বিনোদনের জন্য গিয়ে থাকেন, যা অভিভাবকদেরও অজানা নয়। এদিকে এ প্রসঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এক উর্ধতন কর্মকর্তা জানান, রাজধানীতে ১০২ বার রয়েছে, এর মধ্যে ৫২ বার সরকার অনুমোদিত। এর পাশাপাশি অনুমোদনবিহীন অলিখিত আরো অন্তত ৫০টি বার চরছে। মাদকদ্রব্য অধিদফতরের কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ বারগুলোকে সহযোগিতা বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।