ঢাকা   সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  শেরপুরে সুলতানের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা (জেলার খবর)        গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইর্ষন্বীয় ভূমিকা রাখছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        ২০ বছরেও মেরামত হয়নি পৌর এলাকার সড়কটি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে গেলেন সচিব মো: মাহাবুব হোসেন (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক গর্ভবতী নারী ও বিজিবি সদস্য সহ ১৭ জনের করোনা শনাক্ত, আক্রান্ত ৭০২ (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভা (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহচর ছিলেন মতিয়র রহমান তালুকদার (জামালপুরের খবর)        সাইকেল কেনার টাকা প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে দান (জামালপুরের খবর)        রৌমারীতে জিঞ্জিরাম নদী গর্ভে ঘরবাড়ী ভাঙন রোধে মানববন্ধন (জেলার খবর)        শ্রীবরদীর সাজাপ্রাপ্ত আসামী গাজীপুরে গ্রেফতার (জেলার খবর)      

ভারতে পালানোর সময় সীমান্ত থেকে আবরার হত্যার আসামি সাদাত গ্রেফতার

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:23:51 pm, 2019-10-15 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এ এস এম নাজমুস সাদাতকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, গতকাল মঙ্গলবার ভোরে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার কাটলা বাজার এলাকা থেকে সাদাতকে গ্রেফতার করা হয়। বুয়েটের যন্ত্র কৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদাত ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন। বুয়েট ছাত্রলীগের এই কর্মী দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান। বুয়েটের শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। আবরারকে কীভাবে ক্রিকেট স্টাম্প আর স্কিপিং রোপ দিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে বেধড়ক পেটানো হয়েছিল, সেই ভয়ঙ্কর বিবরণ উঠে এসেছে গ্রেফতার কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার জবানবন্দিতে। সাদাতকে নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ২০ জনকে এ মামলায় গ্রেফতার করল পুলিশ। আবরারের বাবা যে ১৯ জনকে আসামি করে ঢাকার চকবাজার থানায় এ মামলা করেছিলেন, তাদের মধ্যে তিনজন এখনও পলাতক। পলাতক তিনজন হরেন- ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ১৬তম ব্যাচের মাহমুদুল জিসান, কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের এহতেশামুল রাব্বী তানিম এবং যন্ত্র কৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের মোর্শেদ।