ঢাকা   সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  শেরপুরে সুলতানের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা (জেলার খবর)        গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইর্ষন্বীয় ভূমিকা রাখছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        ২০ বছরেও মেরামত হয়নি পৌর এলাকার সড়কটি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে গেলেন সচিব মো: মাহাবুব হোসেন (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক গর্ভবতী নারী ও বিজিবি সদস্য সহ ১৭ জনের করোনা শনাক্ত, আক্রান্ত ৭০২ (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভা (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহচর ছিলেন মতিয়র রহমান তালুকদার (জামালপুরের খবর)        সাইকেল কেনার টাকা প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে দান (জামালপুরের খবর)        রৌমারীতে জিঞ্জিরাম নদী গর্ভে ঘরবাড়ী ভাঙন রোধে মানববন্ধন (জেলার খবর)        শ্রীবরদীর সাজাপ্রাপ্ত আসামী গাজীপুরে গ্রেফতার (জেলার খবর)      

আজিজ মোহাম্মদের বাসায় হাইপ্রোফাইলড ক্যাসিনো-বার

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:25:43 pm, 2019-10-28 |  দেখা হয়েছে: 3 বার।

ঢাকা ডেক্স :

চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গুলশানের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ‘হাইপ্রোফাইলড’ ক্যাসিনো ও বারের সন্ধান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। এ ছাড়া বাসায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদের মজুদ পেয়েছে, যা সাধারণত কোনো বারেও মজুদ থাকে না বলে জানিয়েছেন অভিযান সংশ্লিষ্টরা। গতকাল রোববার বিকেল থেকে গুলশান-২ এর ৫৭ নম্বর রোডের ১১/এ নম্বর আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের মালিকানাধীন বাসাটিতে অভিযান শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, সীসার উপকরণ ও ক্যাসিনোর সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নবীন ও পারভেজ নামে ওই বাসার দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ ফজলুর রহমান বলেন, গুলশান ৫৭ নম্বর রোডের ১১/এ নম্বর বাসাটি আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নামে। তবে বাসাটির দেখাশোনা করতেন তার ভাই ও বোন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এখানে আমরা বিপুল পরিমাণে বিদেশি মদ, সীসার উপকরণ ও ক্যাসিনো সরঞ্জামাদি জব্দ করেছি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিদর্শক মোশারফ হোসেন বলেন, আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গুলশানের বাসার ছাদে ক্যাসিনো পাওয়া গেছে। এখানে ডলারের মাধ্যমে খেলা হতো। সম্প্রতি রাজধানীতে যতগুলো ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়, সেসব জায়গায় দেখা গেছে খেলা হতো টাকা দিয়ে। এখানে এক সেন্ট থেকে শুরু করে ১০০ ডলারের পর্যন্ত কয়েন দিয়ে খেলা হতো। এতেই বোঝা যায় এখানে খুব হাইপ্রোফাইল মানুষজন খেলতে আসতেন। এ ছাড়া ক্যাসিনোটিতে সব ধরনের আধুনিক-সুবিধা রয়েছে এবং সুসজ্জিত। এখানে মদ থেকে শুরু করে সীসা, গাঁজা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ছিল।