ঢাকা   সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হুদার স্মরণ সভা (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে শুরু হয়েছে শিশুদের টয় ব্রিকস গেইম (জেলার খবর)        সারা দেশের ন্যায় জামালপুরেও পিএসসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা শুরু (জামালপুরের খবর)        শ্রীবরদীর সীমান্তে গরুর সাথে আসছে মাদক! (জেলার খবর)        জামালপুরে ৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক- ১ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ৫ গ্রাম হেরোইনসহ আটক-১ (জামালপুরের খবর)        চার দিনে মেলায় কর রাজস্ব আয় ১৩৪৬ কোটি টাকা (অর্থনীতি )        ট্রেনের ধাক্কায় নয়, পরিকল্পিত খুনের শিকার শরীফ (অপরাধ)        দুবাই এয়ার শো-তে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান (জাতীয়)      

জামালপুরে কমিউনিটি ক্লিনিক: স্বাস্থ্যকর্মীদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:08:35 pm, 2019-10-31 |  দেখা হয়েছে: 14 বার।

এম.এ.রফিক:

জামালপুর সদরের কেন্দুয়া ইউনিয়নের গহেরপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের অবহেলায় প্রসবের সময় এক নবজাতক কন্যাশিশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ প্রসূতীর স্বজনরা ক্লিনিক ঘেরাও করে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, জামালপুর সদর উপজেলার শীতলকুর্শা গ্রামের ইট ভাটার শ্রমিক লিটন মিয়ার প্রসূতি স্ত্রী শাপলা বেগমকে (২২) গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাশের কেন্দুয়া ইউনিয়নের গহেরপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ে যান সন্তান প্রসবের জন্য। ক্লিনিকের প্রশিক্ষিত দাই শিউলী বেগম ও আয়া আলেয়া বেগম তাকে স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। কয়েক ঘন্টা সময় পার হয়ে গেলেও প্রসূতি শাপলা বেগম কাজটি না পারলে তাকে না করে দিতে বলেন। কিন্তু এরপরও চেষ্টা চালিয়ে যান দাই শিউলী বেগম। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি মৃত কন্যা নবজাতক প্রসব হয়। প্রসূতি ও তার স্বজনদের কান্নাকাটিতে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় উৎসুক গ্রামবাসী কমিউনিটি ক্লিনিক ঘেরাও করে এ ঘটনার বিচার দাবি করেন। খবর পেয়ে প্রসূতীর গ্রামের বাড়ি থেকে তার স্বজনরাও সেখানে ভিড় করেন।
প্রসূতী শাপলা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আপনেরা পাবেন না আমারে ছাইড়া দেন। কয় কি আর একটু আর একটু। আমি যাবার চাইছি। তাও আমারে যাবার দেয় না। আমারে ছাড়ে না। আমি কইছি আমার বাচ্চার ক্ষতি হইলে বাচ্চাডা দিয়ন নাগবো। ওই প্রসূতীর অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলতে চাইলে ক্লিনিকটির দায়িত্বে থাকা কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) ফজিলাতুন্নেছা ফেন্সী এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

খবর পেয়ে জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তাহের এবং সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভুক্তভোগী প্রসূতি ও তার স্বজনদের সাথে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করেন। কিন্তু কোন সুরাহা না হওয়ায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নবজাতক কে উদ্ধার করে পুলিশ সদর থানায় নিয়ে যায়।

মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তাহের এ ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের জানান, প্রসূতী ও তার স্বজনদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সুরাহার করার চেষ্টা চলছে। প্রসূতীর আগে থেকেই হয়তো কোনো সমস্যা ছিল। ওই ক্লিনিকের প্রশিক্ষিত দাই শিউলী বেগমই প্রসবের সব কাজ করে থাকেন। এখানে দায়িত্বে অবহেলা হওয়ার মতো কিছু হয়েছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হবে। ওই প্রসূতি বর্তমানে সুস্থ আছেন। স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। স্থানীয়রা বলেন, এর আগেও এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।