ঢাকা   ০৪ জুলাই ২০২০ | ২০ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভা (জাতীয়)        স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়ার দাবি সংসদে (জাতীয়)        এইচএসসির মূল সনদ বিতরণ আজ থেকে (শিক্ষা)        ২৪ ঘণ্টায় নতুন মৃত্যু ৪১, আরও ৩৭৭৫ করোনা রোগী শনাক্ত (জাতীয়)        চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী, এগিয়ে যাবো আমরাও - তথ্য প্রতিমন্ত্রী (জামালপুরের খবর)        জামালপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ১৩২ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা (জামালপুরের খবর)        মেলান্দহ পৌরসভার পানি শোধানাগার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জ পৌরসভার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করলেন মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু (জামালপুরের খবর)        জামালপুর সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি (জামালপুরের খবর)      

অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:12:22 am, 2019-11-18 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ. জা. আন্তর্জাতিক:

অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় সাম্প্রতিক দাবানল পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। রোববার দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, বজ্রপাত এবং খেয়ালী বাতাসের কারণে আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ইতোমধ্যেই ১৩০টি স্থানে বিদ্যমান দাবানল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে জরুরি বিভাগের কর্মীরা। আগুনের ভয়াবহতায় ইতোমধ্যেই ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন উপদ্রুত এলাকার হাজার হাজার মানুষ। মারা গেছেন অন্তত তিন জন। নিউ সাউথ ওয়ালেস রাজ্যে ৩৬৭টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। রাজ্যের ফায়ার সার্ভিস কমিশনার শেন ফিটজিমনস বলেন, আমরা আরও খারাপ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছি। অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণত গ্রীষ্মকালে তাপদাহের কারণে জঙ্গলে দাবানল পরিলক্ষিত হয়। স্থানীয়রা একে বলে থাকে বুশফায়ার। এই দাবানল কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, টেলিভিশনের পর্দায় মাঝেমধ্যেই উঠে আসে তার করুণ চিত্র। আগুনের এই রোষের মুখে অসহায় হয়ে পড়ে মানুষ। কখনও সংলগ্ন এলাকা থেকে মানুষজনকে উদ্ধার করা অথবা দাবানলের পথে গাছ কেটে আগুন থামানোর চেষ্টাতেই অবলম্বন খোঁজেন স্থানীয়রা। সরকারিভাবে বিমান থেকে বিশেষ তরল মিশ্রণ ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টাও করা হয়। তবে সে প্রচেষ্টা সব সময় সফল হয় না। তবে বুশফায়ার বা দাবানলপ্রবণ এলাকায় জনবসতি তুলনামূলক কম থাকে। ফলে লোকজনের প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কিছুটা কম হয়। কিন্তু প্রচুর গাছ ও জীবজন্তুর প্রাণহানি ঘটে।