ঢাকা   মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  কাশ্মীরে রোবট সেনা নামাচ্ছে ভারত (আন্তর্জাতিক)        বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী সানা মেরিন (আন্তর্জাতিক)        বিক্ষোভ উপেক্ষা করেই লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ (আন্তর্জাতিক)        নিউজিল্যান্ডে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপতে ২০ পর্যটক আহত (আইন ও বিচার)        ২৫৭ টাকা নিয়ে ঘর ছাড়া যুবকের হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বিনোদন)        মিস ইউনিভার্স হলেন আফ্রিকার জোজিবিনি তুনজি (বিনোদন)        ফের উত্তাপ ছড়াচ্ছেন নায়লা নাঈম (বিনোদন)        পতিতা পল্লীতে - শেষ দেখা (বিনোদন)        শিল্পীদের কল্যাণে সারাজীবন কাজ করব : তানহা মৌমাছি (বিনোদন)        বছর শেষে চলচ্চিত্র প্রেমীদের জন্য সুখবর (বিনোদন)      

অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:12:22 am, 2019-11-18 |  দেখা হয়েছে: 11 বার।

আ. জা. আন্তর্জাতিক:

অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় সাম্প্রতিক দাবানল পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। রোববার দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, বজ্রপাত এবং খেয়ালী বাতাসের কারণে আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ইতোমধ্যেই ১৩০টি স্থানে বিদ্যমান দাবানল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে জরুরি বিভাগের কর্মীরা। আগুনের ভয়াবহতায় ইতোমধ্যেই ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন উপদ্রুত এলাকার হাজার হাজার মানুষ। মারা গেছেন অন্তত তিন জন। নিউ সাউথ ওয়ালেস রাজ্যে ৩৬৭টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। রাজ্যের ফায়ার সার্ভিস কমিশনার শেন ফিটজিমনস বলেন, আমরা আরও খারাপ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছি। অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণত গ্রীষ্মকালে তাপদাহের কারণে জঙ্গলে দাবানল পরিলক্ষিত হয়। স্থানীয়রা একে বলে থাকে বুশফায়ার। এই দাবানল কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, টেলিভিশনের পর্দায় মাঝেমধ্যেই উঠে আসে তার করুণ চিত্র। আগুনের এই রোষের মুখে অসহায় হয়ে পড়ে মানুষ। কখনও সংলগ্ন এলাকা থেকে মানুষজনকে উদ্ধার করা অথবা দাবানলের পথে গাছ কেটে আগুন থামানোর চেষ্টাতেই অবলম্বন খোঁজেন স্থানীয়রা। সরকারিভাবে বিমান থেকে বিশেষ তরল মিশ্রণ ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টাও করা হয়। তবে সে প্রচেষ্টা সব সময় সফল হয় না। তবে বুশফায়ার বা দাবানলপ্রবণ এলাকায় জনবসতি তুলনামূলক কম থাকে। ফলে লোকজনের প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কিছুটা কম হয়। কিন্তু প্রচুর গাছ ও জীবজন্তুর প্রাণহানি ঘটে।