ঢাকা   বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০ | ১ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  শ্রীবরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ: জরিমানা আদায় (জামালপুরের খবর)        ভাগ্নের ধাওয়া খেয়ে মামার মৃত্যু (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জে দ্বিতীয় বারের বন্যায় তলিয়ে ঘরবাড়ী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ড্রেজিং মেশিন জব্দ ও ধ্বংস (জামালপুরের খবর)        দেওয়ানগঞ্জের বেইলী ব্রিজে চাঁদাবাজি : ১৮হাজার টাকা উদ্ধার (জামালপুরের খবর)        বকশিগঞ্জ বিদ্যুতের খুটি ঘেষে বালি উত্তোলণে অবৈধ ড্রেজার ধ্বংস (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে রেল লাইনের পানি উঠায় দুই উপজেলার সাথে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১৪জনের করোনা শনাক্ত, আক্রান্ত ৭৫৪ (জামালপুরের খবর)        জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এড. মতিয়র রহমানের তালুকদারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ (জামালপুরের খবর)        বকশিগঞ্জের দুই ভাইস চেয়ারম্যান পলাতক (জামালপুরের খবর)      

নিজের নয়, রাজনীতি জনগণের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার: ওবায়দুল কাদের

Logo Missing
প্রকাশিত: 08:42:57 pm, 2019-11-30 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আ.জা. ডেক্স:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনীতি কেনাবেচার পণ্য নয়। রাজনীতি আপন ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার নয়। শেখ হাসিনা আমাদের এমন শিক্ষাই দিয়েছেন। রাজনীতি জনগণের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার। গতকাল শনিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা পথ শেখ হাসিনা আমাদের অনুসরণ করতে বলেছেন। একজন রাজনীতিকের মানুষের ভালোবাসা পাওয়া ছাড়া আর কিছুই পাওয়ার নেই। অনুকরণ করতে হবে। শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ রাজনীতিক পঁচাত্তরের পর একজনের নাম কেউ বলতে পারবে না। এ সময় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের সাধারণ জীবনযাপনের বর্ণনা তুলে ধরে তিনি বলেন, কেন করাপশন করবেন? কেন অনিয়ম করবেন? কেন দুর্নীতি করবেন? কেন টেন্ডারবাজি করবেন? কেন চাঁদাবাজি করবেন? বঙ্গবন্ধু পরিবার এই দেশে সততার রাজনীতির প্রতীক। এই পরিবার থেকে শিক্ষা নিন সততা কাকে বলে।

কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী যে শুদ্ধি অভিযানের সূচনা করেছেন এই শুদ্ধি অভিযান কে সফল করতে হবে। মনে রাখবেন সিটি করপোরেশন নির্বাচন আর বেশি দূরে নয়। এই সম্মেলন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার শপথ নিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আপনাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছেন সেই পথ শেখ হাসিনা আমাদের অনুসরণ করতে বলেছেন। একজন রাজনীতিকের মানুষের ভালোবাসা পাওয়া ছাড়া আর কিছুই পাওয়ার নেই। অনুকরণ করতে হবে। শেখ হাসিনার চেয়ে সৎ রাজনীতিক পঁচাত্তরের পর একজনের নাম কেউ বলতে পারবে না। কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী যে শুদ্ধি অভিযানের সূচনা করেছেন এই শুদ্ধি অভিযান কে সফল করতে হবে। মনে রাখবেন সিটি করপোরেশন নির্বাচন আর বেশি দূরে নয়। এই সম্মেলন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার শপথ নিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আপনাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।

এর আগে সকাল ১১টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সম্মেলনে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ, এমপি বক্তব্য রাখেন। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এবং দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ সাংগঠনিক রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সাইফুল্লাহ সাইফুল এবং মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক গোলাম রব্বানী বাবলু। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়।

সম্মেলনে অন্যানের মধ্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, আবদুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ও লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক ও এনামুল হক শামিম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, শ্রম বিসয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দপ্তর ড. সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নহার লাইলী, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলন স্থলে পৌঁছান। এ সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। পরে তিনি নৌকার আদলে তৈরি মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর। তবে, ২০১৫ সালে ঢাকা মহানগর দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর ২০১৬ সালের ১০ এপ্রিল কমিটি ঘোষিত হয়।