ঢাকা   ২৯ জানুয়ারী ২০২০ | ১৬ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে রক্তের বন্ধনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উদযাপিত (জামালপুরের খবর)        পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না -জেলা প্রশাসক (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্মরণ সভা “ধন্যবাদ আবেদ ভাই” (জামালপুরের খবর)        যারা ইউটিউব চ্যানেল ও বিভিন্ন ধর্ম সভায় কৌশলে যুদ্ধাপরাধীদের কথা বলে তারা জামায়াতের প্রডাক্ট-ধর্মমন্ত্রী (জামালপুরের খবর)        মেলান্দহে জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া’র ৬০বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক ইসলামী মহা সম্মেলন (জামালপুরের খবর)        নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস পরেও শেষ হয়নি কাজ (জামালপুরের খবর)        নানা অনিয়মের অভিযোগে ইসলামপুর বাইপাস সড়কের কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে, (জামালপুরের খবর)        দেওয়ানগঞ্জ ডাংধরায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় শোক র‌্যালি (জামালপুরের খবর)        খুপিবাড়ী এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল (জামালপুরের খবর)        শাহবাজপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দূর্নীতির বিস্তার নিয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা (জামালপুরের খবর)      

অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:16:53 am, 2019-12-10 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা. ডেক্স:

একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, অজয় রায় নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং আমৃত্যু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে কাজ করে গেছেন। একজন শিক্ষক হিসেবেও তিনি ছিলেন অনুকরণীয়। রাষ্ট্রপতি শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং অজয় রায়ের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় অধ্যাপক অজয় রায়ের। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শিক্ষা আন্দোলন মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক অজয় রায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি, স¤প্রীতি মঞ্চের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় অজয় রায় একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন। মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা সেলের সাম্মানিক সদস্য হিসবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষক অবসরের পর ইউজিসি অধ্যাপক ছিলেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য ২০১২ সালে সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।