ঢাকা   ২৯ জানুয়ারী ২০২০ | ১৬ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে রক্তের বন্ধনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উদযাপিত (জামালপুরের খবর)        পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না -জেলা প্রশাসক (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্মরণ সভা “ধন্যবাদ আবেদ ভাই” (জামালপুরের খবর)        যারা ইউটিউব চ্যানেল ও বিভিন্ন ধর্ম সভায় কৌশলে যুদ্ধাপরাধীদের কথা বলে তারা জামায়াতের প্রডাক্ট-ধর্মমন্ত্রী (জামালপুরের খবর)        মেলান্দহে জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া’র ৬০বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক ইসলামী মহা সম্মেলন (জামালপুরের খবর)        নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস পরেও শেষ হয়নি কাজ (জামালপুরের খবর)        নানা অনিয়মের অভিযোগে ইসলামপুর বাইপাস সড়কের কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে, (জামালপুরের খবর)        দেওয়ানগঞ্জ ডাংধরায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় শোক র‌্যালি (জামালপুরের খবর)        খুপিবাড়ী এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল (জামালপুরের খবর)        শাহবাজপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দূর্নীতির বিস্তার নিয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা (জামালপুরের খবর)      

একনেকে ৭ প্রকল্প অনুমোদন

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:05:10 am, 2019-12-10 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

হযরত শহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরসহ ৭ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৯ হাজার ২৪১ কোটি ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৪ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে পাওয়া যাবে ৪ হাজার ৯২৬ কোটি ২৪ হাজার টাকা খরচ করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান প্রকল্প সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বিমানবন্দর প্রকল্পটি ২০১৬ সাল থেকে ২০২২ সালে বাস্তবায়নের কথা ছিল। সেটি না হওয়ায় এখন ২০২৫ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। এখন ৭ হাজার ৭৮৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বাড়ানোয় মূল ব্যয় দাড়াচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। এদিন মোট অনুমোদিত প্রকল্প ব্যয়ে এ প্রকল্পের বাড়তি টাকার অঙ্ক যুক্ত করা হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ডিজাইন পরিবর্তন হওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে। অর্থ্যাৎ আগে ভিভিআইপি টার্মিনাল আলাদা করার কথা ছিল। এখন সেটি এক সাথেই হবে। বিমান বন্দরের মূল ভবনের সাথেই এটি থাকবে। তিনি বলেন, আমদানি-রফতানি কার্গো হ্যান্ডেলিং আগের ডিজাইনে এক সঙ্গে ছিল। নতুন ডিজাইনে এ দুটি আলাদা স্থানে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরনো রাস্তা সংস্কার এবং আন্তঃজেলা সড়ক চার লেন করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে-পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ চ্যান্সারী কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কক্সবাজার জেলার রামু- ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৬৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জ হাসাড়া পর্যন্ত জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৪০৯ কোটি টাকা। ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী- দাশুরিয়া জাতীয় মহাসড়ক এর কুষ্টিয়া শহরাংশ ৪লেনে উন্নীতকরণসহ অবশিষ্টাংশ যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৭৪ কোটি টাকা। নাগেশ্বরী-কাশিপুর-ফুলবাড়ী-কুলাঘাট-লালমনিরহাট জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ঢাকা, মাদারিপুর ও রংপুর জেলার ৩টি কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৮৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।


কর্মকর্তাদের অহেতুক বিদেশ সফরে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী: বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় কর্মকর্তাদের অহেতুক বিদেশ সফরে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইসলামাবাদে ‘বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প’ নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি বিরক্ত প্রকাশ করেন। গতকাল মঙ্গলবার একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রীর এই বিরক্ত প্রকাশের কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। সভায় মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আওতায় বার বার বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। অনেক প্রকল্পে বিদেশ সফর প্রয়োজন না, তবুও যাওয়া হচ্ছে। অনেক প্রকল্পে একই কাজে বার বার বিদেশ সফর করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এমন অহেতুক বিদেশ সফর চান না।

২০০৭ সালে ২৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ইসলামাবাদে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। এত বছর পর এই ভবন নির্মাণে ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৭৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মূল প্রকল্প থেকে অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ছে ৫০ কোটি ছয় লাখ টাকা। এর পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও তা শক্তিশালী করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানে নিজস্ব ভবন মিশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এক যুগ পর প্রকল্পটি সংশোধন করা হচ্ছে। সংশোধিত ব্যয় ও সময় বাড়ানো হয় একনেক সভায়। বিদেশে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজে সাধারণত তিন বার বিদেশ সফর করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আলাদা আলাদা টিম করে বিদেশ সফরে যান সংশ্লিষ্টরা। প্রথম টিম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বিদেশ সফর করেন। দ্বিতীয় টিম চুক্তিসই ও তৃতীয় টিম বাস্তবায়ন কাজে বিদেশ সফর করেন। একই কাজে তিনবার পৃথক পৃথক টিম বিদেশ সফর না করে সমন্বিত একটি টিম যেন বিদেশ সফর করেন। একনেক সভায় এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।