ঢাকা   রবিবার ০৫ জুলাই ২০২০ | ২১ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভা (জাতীয়)        স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়ার দাবি সংসদে (জাতীয়)        এইচএসসির মূল সনদ বিতরণ আজ থেকে (শিক্ষা)        ২৪ ঘণ্টায় নতুন মৃত্যু ৪১, আরও ৩৭৭৫ করোনা রোগী শনাক্ত (জাতীয়)        চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী, এগিয়ে যাবো আমরাও - তথ্য প্রতিমন্ত্রী (জামালপুরের খবর)        জামালপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ১৩২ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা (জামালপুরের খবর)        মেলান্দহ পৌরসভার পানি শোধানাগার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জ পৌরসভার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করলেন মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু (জামালপুরের খবর)        জামালপুর সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি (জামালপুরের খবর)      

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে নির্বাচনী প্রচারে আসুন, কাদেরকে ফখরুল

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:08:06 am, 2020-01-12 |  দেখা হয়েছে: 3 বার।

আ.জা. ডেক্স:

নির্বাচনের প্রচারে অংশ নেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী, আপনি মন্ত্রী বা এমপি থাকলে নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তাই আপনি মন্ত্রিত্ব এবং সংসদ সদস্যের পদ ছেড়ে দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালান। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ পেশাজীবী সম্মিলিত পরিষদ আয়োজিত খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এক সমাবেশে এ আহবান জানান তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (গত শুক্রবার) খুব দুঃখ করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যদি ফখরুল ইসলাম নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন, তা হলে আমি পারবো না কেন? একশ বার পারবেন। এই মুহূর্তে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করুন। আসুন এক সঙ্গে নির্বাচন করি। আইন তো তাই বলে। আইন বলে, আপনি মন্ত্রী বা এমপি থাকলে নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তাই, আপনি মন্ত্রিত্ব এবং এমপির পদ ছেড়ে দিয়ে আসেন। আপনি নৌকার জন্য নির্বাচনি প্রচারণা চালান আর আমি ধানের শীষের প্রচারণা চালাই। দেখা যাক, জনগণ কোনও দিকে থাকে। আজকে একটা কথা পরিষ্কার করে বলতে পারি যে, ক্ষমতা থেকে নেমে এসে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করুন। তারপর আসুন আমরা নির্বাচন করি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে আজ বেআইনিভাবে মিথ্যা মামলায় আটক করে রাখা হয়েছে। বারবার বলা হচ্ছে, আদালত তাদের দায়িত্ব পালন করছে। সরকার দেশের সব রাষ্ট্রযন্ত্রকে দখল করার পাশাপাশি বিচার বিভাগকে দখল করে নিয়েছে। বারবার বলেছি, এখনও বলছি, খালেদা জিয়াকে যে আইনের ধারায় আটক করে রাখা হয়েছে সেই আইনের ধারায় অনেক মানুষকেই আপনারা জামিন দিয়েছেন। বিচার বিভাগের কাছে আমার প্রশ্ন- মানুষ সব জায়গায় নির্যাতিত-নিপীড়িত হলে সর্বশেষ বিচার বিভাগের কাছে যায় যাতে আশ্রয় পায়। কিন্তু সেই জায়গা থেকে একটা মানুষের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে যিনি কি না দেশের ১৬ কোটি মানুষের নেত্রী। বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রকে পুরোপুরি সমাহিত করা হয়েছে। আজকে আপনারা উৎসব পালন করছেন খুব ভালো কথা। কিন্তু খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আপনারা উৎসব পালন করছেন। এই উৎসবে এ দেশের মানুষের হৃদয় কতটা থাকবে- সেটাই দেখার বিষয়। এ দেশের মানুষকে অসুস্থ রেখে তাদের এ উৎসব কতটুকু ফলপ্রসূ হবে সেটা ভেবে দেখতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন খালেদা জিয়া এতোটা অসুস্থ নয় যে তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে। এই কথা আমরা আপনার কাছ থেকে আশা করি না। আমরা আশা করি, আপনি সুচিকিৎসার জন্য সঠিক কথা বলবেন। খালেদা জিয়ার জামিন এখন আদালতের কাছে বহাল নেই। এখন আপনাদের কোর্টে বহাল। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি সব দায়-দায়িত্ব আপনাদের। তার যদি কোনও ক্ষতি হয় তা হলে এর দায়ভার আপনাদের নিতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, এ সরকার খালেদা জিয়াকে বের হতে দিচ্ছে না, কারণ একটাই। যদি তিনি বাইরে থাকেন তা হলে জনগণ তাদের মসনদ ভেঙে ফেলবে। এ কারণে তাকে আটকে রেখেছে। রাজনীতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে আটকে রেখেছে। পরিষ্কার করে বলেছি, বারবার বলেছি, এখনও বলছি- সময় থাকতে দেয়ালের লিখা পড়ুন। মানুষের চোখের ভাষা বুঝুন। মানুষের কথা বোঝার চেষ্টা করুন। এভাবে জোর করে, দখল করে, নির্যাতন করে দাবিয়ে রেখে, গুম, খুন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। তিনি বলেন, আমি আপনাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। তিনি বলেছিলেন, বাংলার মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। এখনও বলতে চাই দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। বাংলা মানুষকে কখনও দাবিয়ে রাখা যায় নাই।

নির্বাচন দিচ্ছেন। নির্বাচন নির্বাচন খেলা করছেন, সেটা আমরা জানি। তারপরও আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। কারণ সেটা খুব পরিষ্কার করে বলেছি- আমরা দেশে গণতন্ত্রের মুক্তির সংগ্রামে খালেদা জিয়ার মুক্তি সংগ্রামের একটা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনটাকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছি। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, রুহুল অমিন গাজী প্রমুখ।