ঢাকা   সোমবার ০৬ জুলাই ২০২০ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভা (জাতীয়)        স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়ার দাবি সংসদে (জাতীয়)        এইচএসসির মূল সনদ বিতরণ আজ থেকে (শিক্ষা)        ২৪ ঘণ্টায় নতুন মৃত্যু ৪১, আরও ৩৭৭৫ করোনা রোগী শনাক্ত (জাতীয়)        চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী, এগিয়ে যাবো আমরাও - তথ্য প্রতিমন্ত্রী (জামালপুরের খবর)        জামালপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ১৩২ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা (জামালপুরের খবর)        মেলান্দহ পৌরসভার পানি শোধানাগার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জ পৌরসভার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করলেন মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু (জামালপুরের খবর)        জামালপুর সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি (জামালপুরের খবর)      

দেশের সর্বনিম্ন তামপাত্রা পঞ্চগড়ে ৭.২ ডিগ্রি

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:47:50 pm, 2020-01-13 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা ও হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ে লাগামহীনভাবে বেড়েছে শীতের দাপট। এতে করে নাকাল হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। ঘনকুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জেলা, সেই সঙ্গে বয়ে আসছে উত্তরের হিমেল বাতাস। রাতভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। টানা এক মাসের অব্যাহত শীতের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এ জেলার মানুষ। তাপমাত্রা ওঠা-নামার খেলায় এই শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে জেলার খেটে খাওয়া মানুষেরা। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ওসি রহিদুল ইসলাম জানান, গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, শীতের কবলে পড়ে দিন দিন অসুস্থ হচ্ছে শিশুসহ বয়স্করা। সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ ও লাগামহীন শীতে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন আবাদি ফসল বলে জানিয়েছে কৃষকরা।
কুড়িগ্রাম: এদিকে, শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কুড়িগ্রামে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। গত ২৪ ঘণ্টায় এ অঞ্চলে তাপমাত্রা কমেছে এক দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগার গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আট দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। গত রোববার কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা ছিল নয় দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন বিকেল থেকে গতকাল সোমবার ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও তাতে থাকছে না তেমন একটা উষ্ণতা। গত দু’দিন ধরে কুড়িগ্রামে শৈত্যপ্রবাহের কবলে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ভিড়। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) পুলক কুমার সরকার জানান, গত রোববার পর্যন্ত ভর্তি হওয়া ৩৭ জন ডায়েরিয়া রোগীর মধ্যে ৩৬ জনই শিশু। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে। এদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বাড়ায় বোরো বীজতলা ও আলু ক্ষেতের মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা বিমল দে জানান, টানা শীতের কবলে কিছু কিছু এলাকায় বোরো ও আলু ক্ষেতের কিছুটা ক্ষতি হলেও দিনে রোদের কারণে ক্ষতিটা পুষিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে। এরপরও কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এ সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ওসি সুবল চন্দ্র সরকার জানান, এ অঞ্চলে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমছে। আরও কয়েকদিন শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল সোমবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীন জানান, শীত মোকাবিলার জন্য সবধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৯ হাজার ১৪ পিস কম্বল বিতরণের পর আরও দুই হাজার কম্বল পাওয়া গেছে। এছাড়াও কম্বল কেনার জন্য ১০ লাখ টাকা, শিশু পোশাক কেনার জন্য তিন লাখ টাকা এবং শিশু খাদ্যের জন্য আরও এক লাখ টাকা পাওয়া গেছে বলেও জানান ডিসি সুলতানা।