ঢাকা   মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারী ২০২০ | ৮ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ঝিনাইগাতীতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত (জেলার খবর)        জামালপুর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়ার পরও মেরামত হয়নি নলকূপটি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) এর কর্মবিরতি শুরু (জামালপুরের খবর)        ঝিনাইগাতীতে আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত (জেলার খবর)        জামালপুরে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী কেন্দ্রে শীতবস্ত্র বিতরণ (জামালপুরের খবর)        প্রবীণ ফটো সাংবাদিক কানুর মৃত্যুতে শ্রাদ্ধ ও শোক বই এ সাক্ষর (জামালপুরের খবর)        রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় ৫টি মহিষ আটক (জামালপুরের খবর)        নালিতাবাড়ীতে মালিঝি নদীর খনন কার্যক্রম শুরু (জেলার খবর)        শেরপুরের ব্র্যান্ডিং সুগন্ধি চাল তুলশীমালা ঘ্রান ছড়াচ্ছে দেশে-বিদেশে (জেলার খবর)      

ক্ষুধার্ত প্রাণীদের বাঁচাতে বৃষ্টির মতো খাবার ঝরছে অস্ট্রেলিয়ায়

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:56:44 am, 2020-01-12 |  দেখা হয়েছে: 7 বার।

আ.জা. আন্তর্জাতিক:

দাবানল অস্ট্রেলিয়ার জন্য একেবারেই নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে গত সেপ্টেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়া যে দাবানলে পুড়ছে, এই ভয়াবহতা অস্ট্রেলিয়ার জন্য নতুন। এই আগুনে কত যে প্রাণী মারা গেছে তার সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও সে সংখ্যা যে কয়েক কোটি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে সে ইঙ্গিত ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। কেবল আগুন থেকে বেঁচে যাওয়াটাই বনের প্রাণীদের জন্য যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আগুন থেকে বাঁচার পর শুরু হয় তাদের খাবারের জন্য লড়াই। কারণ এমন অনেক তৃণভোজী প্রাণী আছে যাদের খাবারের পুরোটা পুড়েছে আগুনে। দেখা যাচ্ছে অনেক অংশে আগুন নেভার পর খাওয়ার কিছু পাচ্ছে না সেখানকার প্রাণীরা। এরকম বিপদে থাকা প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম হলো ওয়ালিবিজ (ছোট এক ধরনের ক্যাঙ্গারু)। দাবানল শুরুর আগে থেকেই এ প্রাণীদের সংখ্যা কমে আসছিল। আগুন লাগার পর সে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তাই তাদের বাঁচাতে দারুণ এক পদ্ধতি নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এ ধরনের প্রাণীগুলোর জন্য আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো করে খাবার ফেলা হচ্ছে। খাবার বলতে মূলত বিভিন্ন ধরনের সবজি ফেলা হচ্ছে হেলিকপ্টার থেকে। দাবানলে পুড়ে যাওয়া অঞ্চলগুলো আবার আগের ধারায় না ফেরা পর্যন্ত এভাবে খাবার সরবরাহ চালিয়ে যাওয়া হবে।এরই মধ্যে দাবানলে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পুড়ে ছাই হয়েছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে। দাবানলের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রচন্ড দাবদাহকেই দায়ী করা হয়। এর সঙ্গে রয়েছে প্রচন্ড খরা ও ঝড়ো বাতাসের তান্ডব। মনে করা হচ্ছে এ জন্যই এবার এত দীর্ঘ সময় ধরে দাবানল চলছে। এ ছাড়া দাবানলের অন্যতম একটা প্রধান কারণ হলো বজ্রপাত। বজ্রপাতের পর গাছে আগুন লেগে তা একসময় ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ফলে বজ্রপাত কীভাবে কমানো যায় সেদিকে নজর দেয়ার কথা বলা হচ্ছে।