ঢাকা   রবিবার ০৫ জুলাই ২০২০ | ২১ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভা (জাতীয়)        স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়ার দাবি সংসদে (জাতীয়)        এইচএসসির মূল সনদ বিতরণ আজ থেকে (শিক্ষা)        ২৪ ঘণ্টায় নতুন মৃত্যু ৪১, আরও ৩৭৭৫ করোনা রোগী শনাক্ত (জাতীয়)        চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী, এগিয়ে যাবো আমরাও - তথ্য প্রতিমন্ত্রী (জামালপুরের খবর)        জামালপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ১৩২ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা (জামালপুরের খবর)        মেলান্দহ পৌরসভার পানি শোধানাগার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জ পৌরসভার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করলেন মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু (জামালপুরের খবর)        জামালপুর সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি (জামালপুরের খবর)      

ক্ষুধার্ত প্রাণীদের বাঁচাতে বৃষ্টির মতো খাবার ঝরছে অস্ট্রেলিয়ায়

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:56:44 am, 2020-01-12 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা. আন্তর্জাতিক:

দাবানল অস্ট্রেলিয়ার জন্য একেবারেই নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে গত সেপ্টেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়া যে দাবানলে পুড়ছে, এই ভয়াবহতা অস্ট্রেলিয়ার জন্য নতুন। এই আগুনে কত যে প্রাণী মারা গেছে তার সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও সে সংখ্যা যে কয়েক কোটি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে সে ইঙ্গিত ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। কেবল আগুন থেকে বেঁচে যাওয়াটাই বনের প্রাণীদের জন্য যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আগুন থেকে বাঁচার পর শুরু হয় তাদের খাবারের জন্য লড়াই। কারণ এমন অনেক তৃণভোজী প্রাণী আছে যাদের খাবারের পুরোটা পুড়েছে আগুনে। দেখা যাচ্ছে অনেক অংশে আগুন নেভার পর খাওয়ার কিছু পাচ্ছে না সেখানকার প্রাণীরা। এরকম বিপদে থাকা প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম হলো ওয়ালিবিজ (ছোট এক ধরনের ক্যাঙ্গারু)। দাবানল শুরুর আগে থেকেই এ প্রাণীদের সংখ্যা কমে আসছিল। আগুন লাগার পর সে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তাই তাদের বাঁচাতে দারুণ এক পদ্ধতি নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এ ধরনের প্রাণীগুলোর জন্য আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো করে খাবার ফেলা হচ্ছে। খাবার বলতে মূলত বিভিন্ন ধরনের সবজি ফেলা হচ্ছে হেলিকপ্টার থেকে। দাবানলে পুড়ে যাওয়া অঞ্চলগুলো আবার আগের ধারায় না ফেরা পর্যন্ত এভাবে খাবার সরবরাহ চালিয়ে যাওয়া হবে।এরই মধ্যে দাবানলে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পুড়ে ছাই হয়েছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে। দাবানলের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রচন্ড দাবদাহকেই দায়ী করা হয়। এর সঙ্গে রয়েছে প্রচন্ড খরা ও ঝড়ো বাতাসের তান্ডব। মনে করা হচ্ছে এ জন্যই এবার এত দীর্ঘ সময় ধরে দাবানল চলছে। এ ছাড়া দাবানলের অন্যতম একটা প্রধান কারণ হলো বজ্রপাত। বজ্রপাতের পর গাছে আগুন লেগে তা একসময় ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ফলে বজ্রপাত কীভাবে কমানো যায় সেদিকে নজর দেয়ার কথা বলা হচ্ছে।