ঢাকা   সোমবার ৩০ মার্চ ২০২০ | ১৬ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  শেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ১ ব্যক্তি খুন (জেলার খবর)        জামালপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ২৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পেয়েছেন (জামালপুরের খবর)        করোনা প্রভাবে কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের ঘরে জেলা প্রশাসনের খাবার বিতরণ (জামালপুরের খবর)        করোনা মোকাবেলায় বকশিগঞ্জ মেয়রের দিনরাত্রী (জামালপুরের খবর)        জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াছমিন ঘরে ঘরে পৌছে দিলেন ত্রান (জামালপুরের খবর)        ইসলামপুরে করোনা পরিস্থিত মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনা মানছে না অনেকেই (জামালপুরের খবর)        সরিষাবাড়ীতে দরিদ্রদের মধ্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর চাল-ডাল বিতরণ (জামালপুরের খবর)        করোনা প্রতিরোধে গোল্ডেন জামালপুরের জীবানুনাশক সামগ্রী বিতরণ (জামালপুরের খবর)        রৌমারীতে ৭০২ পিস ইয়াবাসহ ১জন কে আটক করেছে বিজিবি (জামালপুরের খবর)        করোনার ক্লান্তিকালে বকশিগঞ্জ পৌরসভার ত্রাণ সহায়তা (জামালপুরের খবর)      

পানির দাম ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক: টিআইবি

Logo Missing
প্রকাশিত: 10:44:54 pm, 2020-02-18 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

ঢাকা ওয়াসার পরিচালন ব্যয়, ঘাটতি ও ঋণ পরিশোধের অজুহাতে আবাসিক ও বাণিজ্যিক খাতে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) গতকাল মঙ্গলবার টিআইবি থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ মন্তব্য করা হয়। ঢাকা ওয়াসার পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক, গ্রাহক নির্যাতনমূলক ও প্রচলিত নীতির বিরোধী। সংশ্লিষ্ট খাতে বিশেষজ্ঞসহ গণশুনানি সাপেক্ষে সহনীয় মাত্রায় দাম নির্ধারণের দাবি করেছে সংস্থাটি। বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ঢাকা ওয়াসা আবাসিক গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট পানির দাম ১১.৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্রাহক পর্যায়ে ৩৭.০৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা (সার্বিকভাবে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়) নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। ওয়াসা আইন ১৯৯৬ অনুযায়ী, বাৎসরিক সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর বিধানের সঙ্গে এ প্রস্তাব সাংঘর্ষিক। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ব্যয় বহনের নামে সেবার মান উন্নত ও পানির বিশুদ্ধতা নিশ্চিত না করে দাম বাড়ানোর এ অন্যায্য প্রস্তাব ঢাকা ওয়াসার একগুঁয়েমি ও স্বেচ্ছাচারিতার বহিঃপ্রকাশ। যে পানি ওয়াসার শীর্ষ কর্মকর্তারাই পান করতে নিরাপদ বোধ করেন না, তার দাম বাড়ানোর এ প্রস্তাব সম্পূর্ণরূপে অগ্রাহ্য করে ওয়াসার সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। ২০১৯ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত টিআইবির গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ঢাকা ওয়াসার অধীনে জরিপে অন্তর্ভুক্ত ৪৪.৮ শতাংশ সেবাগ্রহীতা চাহিদা অনুযায়ী পানি পান না। ৫১.৫ শতাংশ সেবাগ্রহীতার কাছে সরবরাহকৃত পানি অপরিষ্কার। ৪১.৪ শতাংশ সরবরাহকৃত পানি দুর্গন্ধযুক্ত। ঢাকা ওয়াসার সেবার মান ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সার্বিকভাবে ৩৭.৫ শতাংশ সেবাগ্রহীতাই অসন্তুষ্ট। সেবাগ্রহীতাদের মতামত না নিয়ে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও সিস্টেম লস নিরসনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই একতরফাভাবে পানির দাম বাড়ানোর এ প্রস্তাব গ্রাহকের ওপর অন্যায্য বোঝা চাপিয়ে দেবে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অর্থ প্রবাহ বাড়ানোর নামে অযৌক্তিকভাবে পানির দাম বাড়ানোর আগে ঢাকা ওয়াসার ক্রয় প্রক্রিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও গ্রাহক পর্যায়ের মিটার রিডিংসহ নানা ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে অভ্যন্তরীণ সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি।