ঢাকা   রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২০ | ২২ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত আশপাশের ১০ বাড়ি লকডাউন (জামালপুরের খবর)        মোদীর সঙ্গে যে কথা হলো টেন্ডুলকারের (খেলাধুলা)        মোদীর সঙ্গে যে কথা হলো টেন্ডুলকারের (খেলাধুলা)        মোদীর সঙ্গে যে কথা হলো টেন্ডুলকারের (খেলাধুলা)        ৫ লাখ পাউন্ড অনুদান দিলেন রুট-মর্গ্যান (খেলাধুলা)        ১০ লাখ ডলার অনুদান দিলেন নেইমার (খেলাধুলা)        করোনায় আক্রান্ত বার্সেলোনার সহ-সভাপতি (খেলাধুলা)        আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইরানে করোনা পরিস্থিতির বড় উন্নতি হবে (আন্তর্জাতিক)        ভারতের ১৪ রাজ্যে তাবলিগ সংশ্লিষ্ট ৬৪৭ জনের করোনা শনাক্ত (আন্তর্জাতিক)        মাস্ক না পরার ঘোষণা ট্রাম্পের (আন্তর্জাতিক)      

বিনামূল্যে হাসপাতালে আনা-নেয়ার কাজ করছেন এমবান্দা

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:12:41 am, 2020-03-26 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা. স্পোর্টস:

বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়া করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষায় হাত বাড়িয়েছেন বিশ্বেও নামি-দামি ক্রীড়াবিদরা। তবে এবার অন্যরকম ভাবে সহযোগীতায় হাত বাড়ালেন ম্যাক্সিম এমবান্দা। ইতালিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্যার্থে দিনে ১৩ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স চালাচ্ছেন জেব্রে রাগবি ক্লাবের এই খেলোয়াড়। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সারা বিশ্বের প্রায় সব ধরনের খেলা স্থগিত হয়ে গেছে। স্থগিত হয়েছে রাগবিও। তাই উদ্বেগজনক সময়ে ঘরে বসে না থেকে সাধারণ মানুষকে সাহায্যের চিন্তা করেছেন ইটালিয়ান ফ্ল্যাংকার এমবান্দা। দেশটির হাসপাতালগুলোতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অসুস্থদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও দ্রুততম ও শক্তিশালী করতে অ্যাম্বুলেন্স চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবান্দা বলেছেন, রাগবি খেলা স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর থেকেই আমি ভাবতে থাকি চিকিৎসা দক্ষতা ছাড়াই কীভাবে সাহায্য করতে পারি। এরপর আমি আট দিন আগে থেকে অ্যাম্বুলেন্স চালানো শুরু করি এবং কোনো বিরতি ছাড়া দিনে ১২-১৩ ঘণ্টা কাজ করছি। সংক্রামক রোগীদের কক্ষে আমি যা দেখছি, তাতে আমি নিজেকে বলি, আমার কখনোই ক্লান্ত হওয়া চলবে না। প্রতিদিনই ইতালিতে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হচ্ছে। তাতে একটুও কি ভয় পান না এমবান্দা? এমন প্রশ্নে তিনি জানিয়েছেন, ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। তবে কিছু ছোট জিনিস রয়েছে, যা নিরাপদে করা যায় এবং সামনের সারিতে যারা থাকছে, তাদের মাঝেমধ্যে এক-আধ ঘণ্টা বিশ্রাম দেওয়া যায়। তাদের জন্য প্রতি ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ। যতক্ষণ আমার শক্তি আছে, আমি চালিয়ে যাব। আমি এখানে আছি এবং এখানেই থাকব।

নিজের কাজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে এমবান্দা আরও বলেছেন, আপনি যদি তাদের চোখের দিকে তাকান... তারা কখনো কখনো কথাও বলতে পারে না। তারা আপনাকে চোখের ভাষায় কিছু বোঝানোর চেষ্টা করবে, যা আপনি ভাবতেও পারবেন না। প্রথম যে ব্যক্তিকে আমি এনেছিলাম, তিনি বলেছিলেন, তার পাশের বেডের রোগী মারা যাওয়ার পর তিন ঘণ্টা তিনি ওই বেডেই ছিলেন। সে সময় আরও দুজন নারী মারা যান। এর আগে তিনি কখনোই কাউকে মারা যেতে দেখেননি।