ঢাকা   সোমবার ১৯ নভেম্বর ২০১৮ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

নতুন সিদ্ধান্তে ঊর্মিলা

Logo Missing
প্রকাশিত: 06:00:34 pm, 2018-10-29 |  দেখা হয়েছে: 3 বার।

আজ ডেক্সঃ রামু ও নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ি আদিবাসী শিশুদের উন্নত মানের শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেয়ার উদ্দেশ্যে একটি স্কুল নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এই স্কুলের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত আছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই এই স্কুলে প্রতি মাসে দুই দিন করে ক্লাস নিবো। এই স্কুলের সঙ্গে যারা জড়িত আছেন তারা আমাকে ক্লাস নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। আমিও তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমাদের সবার দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে। আমরা প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে এগিয়ে এলে আমাদের দেশ আরো বেশি সুন্দর হবে বলে আমি মনে করি। পাহাড়ি আদিবাসী শিশুদের আরো সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে এবং এই স্কুলটির মহৎ কার্যক্রম সবাইকে ব্যাপকভাবে জানানোর লক্ষ্যে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই স্কুলের সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণ করা হবে। এটির তত্ত্বাবধানে রয়েছেন এই মডেল-অভিনেত্রী। এদিকে বিভিন্ন চ্যানেলে ঊর্মিলা অভিনীত একাধিক ধারাবাহিক নাটক প্রচার হচ্ছে। তার হাতে আছে সৈয়দ শাকিলের ‘প্রেম নগর’ ও ‘সোনার শিকল’, ইমতিয়াজ নেয়ামুলের ‘কাগজের ফুল’, সাখাওয়াত মানিকের ‘মেঘে ঢাকা শহর’ এবং জুয়েল মাহমুদের ‘দি পাবলিক’ শিরোনামের ধারাবাহিক নাটকগুলো। তবে নতুন কোনো ধারাবাহিক হাতে নিচ্ছেন না তিনি। ধারাবাহিকে অভিনয় কম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সময়ে ধারাবাহিকে মনের মতো গল্প না পাওয়াসহ বেশ কিছু সমস্যার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। বর্তমানে সিঙ্গেল নাটকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এবার পূজায় ঊর্মিলা কোনো নাটকে অভিনয় করেননি। পূজার আগে থেকে পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে বিশেষ দিবসের কাজ করা হয়নি তার। সম্প্রতি আবারো অভিনয়ে ফিরেছেন। এই সময়ের নাটকের সংকট উত্তরণের পথ কি? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখন প্রায় নাটকের গল্পই কাছাকাছি। একক নাটকগুলো ত্রিভুজ প্রেমে ভরা। এর বাইরেও অনেক ধরনের গল্প নিয়ে নাটক নির্মাণ সম্ভব। আমাদের অনেক গুণী স্ক্রিপ্ট রাইটার আছেন। তাদের নিয়ে কাজ করলে আমাদের পরিবর্তন আসবে। এ ছাড়া আমাদের অনেক সিনিয়র শিল্পী আছেন তাদের নিয়েও কাজ করা প্রয়োজন। একটা সময় নাটকে বাবা-মা, ভাই-বোনসহ নানা ধরনের চরিত্র দেখা যেত। এখন এগুলোর মধ্যে কিছু চরিত্র দেখাই যায় না তেমন। যার কারণে নাটকে বৈচিত্র্য হারাচ্ছে। শোবিজে শিল্পীদের নিয়ে নানা রকম গুঞ্জন ওঠে। এই বিষয়কে ঊর্মিলা কিভাবে দেখেন? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারকাদের নিয়ে গুঞ্জন থাকবে। কিন্তু অতিরিক্ত কিছু কারো পক্ষে ভালো না। প্রত্যেকের পরিবার-সমাজ আছে। অনেক সময় মিথ্যে গুঞ্জনের কারণে পরিবারে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়। কাজের ক্ষেত্রে একজন শিল্পীকে নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা হতে পারে। এতে শিল্পী তার সঠিক পথটা খুঁজে নিতে পারে। পরিবারের কাছ থেকে ঊর্মিলা কাজের ক্ষেত্রে কতটুকু সহযোগিতা পান জানতে চাওয়া হলে বলেন, শ্বশুরবাড়ির সবার সঙ্গে আমার সু-সম্পর্ক আছে। আমার অভিনয়ের জন্য সবাই উৎসাহ দেয়। বিয়ের আগে আমার বাবা-মায়ের কাছ থেকে যেমন উৎসাহ পেতাম ঠিক তেমনটা শ্বশুরবাড়ি থেকেও পাচ্ছি। ঊর্মিলা আগামীতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান? এই প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, একজন ভালো মানুষ হয়ে থাকতে চাই। দর্শকের কাছে একজন সু-অভিনেত্রী হতে চাই। অভিনয়ের কল্যাণে আজ এতদূর এসেছি। অভিনয়ে আমার অনেক কিছু দিতে হবে। একজন শিল্পী তার অভিনয়ের মাধ্যমে বেঁচে থাকেন। আমাদের অনেক গুণী অভিনয়শিল্পী এখন নেই। কিন্তু তাদের কাজের মধ্য দিয়ে আমরা তাদের স্মরণ করি।