ঢাকা   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

গাজীপুরে ভোট দেখে সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:17:00 pm, 2018-05-30 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

খুলনা সিটি করপোরেশনের ভোট নিয়ে অসন্তুষ্টি থাকলেও গাজীপুর পর্যন্ত বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পর্যবেক্ষণ করবে বিএনপি। এর পর বর্তমান ইসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে এ দল। 

মঙ্গলবার দুপুরে ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন। 

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদাসহ অন্য চার কমিশনার ও ইসি সচিবের সঙ্গে বৈঠক করে। 

বৈঠকের পর বেরিয়ে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর রায় বলেন, কমিশনের প্রতি বিএনপির আস্থা না থাকলেও তারা কমিশনে আসেন; কারণ কমিশন একটাই। তিনি জানান, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের অনিয়মগুলো ইসির কাছে লিখিতভাবে তুলে ধরেছেন তারা, যাতে গাজীপুরের ভোটে অনিয়ম না হয়। তিনি জানান, তারা আরেকটি পরীক্ষার জন্য গাজীপুর পর্যন্ত অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করবেন।

সিইসির সঙ্গে আলাপ সম্পর্কে গয়েশ্বর রায় জানান, রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আস্থায় রাখা ইসির দায়িত্ব- এটা তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ যদি তাদের ওপর আস্থা না রাখে, রাজনৈতিক দল যদি আস্থা হারায়, তাহলে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। সিটি নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে 

তিনি বলেন, যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হবে না, সেটাতেও ভোটাররা যদি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়, তাহলে যে নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হবে, সেটার বিষয়ে বিএনপিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিএনপির প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিদের প্রচারের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। 

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে ইসিকে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যরা অত্যন্ত প্রভাবশালী। তারা প্রচারে নামার সুযোগ পেলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না। জবাবে কমিশন বলছে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এ সুযোগ তারাও পাবে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ সুযোগ বিএনপি চায় না। সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করতে হবে। 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, খুলনা সিটি নির্বাচন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়নি। এরই মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।