ঢাকা   সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  শেরপুরে সুলতানের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা (জেলার খবর)        গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইর্ষন্বীয় ভূমিকা রাখছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        ২০ বছরেও মেরামত হয়নি পৌর এলাকার সড়কটি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে গেলেন সচিব মো: মাহাবুব হোসেন (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক গর্ভবতী নারী ও বিজিবি সদস্য সহ ১৭ জনের করোনা শনাক্ত, আক্রান্ত ৭০২ (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভা (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহচর ছিলেন মতিয়র রহমান তালুকদার (জামালপুরের খবর)        সাইকেল কেনার টাকা প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে দান (জামালপুরের খবর)        রৌমারীতে জিঞ্জিরাম নদী গর্ভে ঘরবাড়ী ভাঙন রোধে মানববন্ধন (জেলার খবর)        শ্রীবরদীর সাজাপ্রাপ্ত আসামী গাজীপুরে গ্রেফতার (জেলার খবর)      

জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই: আশরাফুল ইসলাম বুলবুল

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:39:43 am, 2020-05-23 |  দেখা হয়েছে: 531 বার।

হাফিজুর রহমান :

নানা প্রতিকুলতার মধ্যদিয়ে মহামারি করোনাভাইরাসের শুরু থেকেই জামালপুরের হযরত শাহজামাল (রঃ) হাসপাতাল (প্রাঃ) বিভিন্ন রোগিদের আন্তরিকতায় সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। হাসপাতালটির এমডির দায়িত্বে থাকা আশরাফুল ইসলাম বুলবুলের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় হাসপাতালটিতে নিয়মিত রোগিদের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রয়েছে। করোনাভাইরাস আতংকে সাধারণ রোগিদের চিকিৎসাসেবা যাতে কোনভাবেই ব্যাহত না হয় সেলক্ষ্যে হাসপাতালটির ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ সকল স্টাফদের নিয়ে তিনি নিয়মিত মনিটরিং করেন।

হাসপাতালটির এমডি আশরাফুল ইসলাম বুলবুল জানান, মহামারি করোনা ভাইরাসের এই দূর্যোগে বাংলাদেশের বহু ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় যেখানে দেশজুড়ে আতঙ্কে সাধারণ চিকিৎসাসেবা দেয়া সীমিত করা হয়েছে সেখানে একটি দিনের জন্যও আমি এবং আমার হযরত শাহজামাল (রঃ) হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখিনি, নিয়মিত রোগিদের সেবা দিয়ে চলেছি। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার সরকারি নির্দেশ থাকায় জামালপুরের জেলা প্রশাসক মহোদয়, অতিঃ জেলা প্রশাসক (সার্বিক), পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন সহ প্রশাসনের অনেকেই বেসরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিনিয়ত আমার সাথে যোগাযোগ রেখেছেন এবং সার্বিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিনা চিকিৎসায় যেন জামালপুরে কোন সাধারণ রোগি কষ্ট না পায়। আমি জামালপুর জেলা বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জামালপুরের প্রতিটি বেসরকারি ক্লিনিক খোলা রেখে নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেছি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।

করনো পরিস্থিতিতেও হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখে রোগিদের সেবা দিতে গিয়ে গত ৫ মে আমি করোনা আমি ভাইরাসে আক্রান্ত হই। সেদিন বাদ ইফতার সর্ব প্রথম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং পরবর্তিতে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শফিকুজ্জামান ও জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডাঃ মাহফুজুর রহমান সোহান ফোনে জানান আমার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ। কিন্তু আমি খবরটি শুনে অবাক হইনি। কারন আমি জানি আমি যে পেশায় আছি এ পেশায় কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হওয়াই স্বাভাবিক। আমি নিজেকে এর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। প্রতিজ্ঞা করেছিলাম জীবন বাজি রেখে হলেও জামালপুরের মানুষের চিকিৎসাসেবা দিতে পিছপা হবো না। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আল্লাহতায়ালার কাছে প্রতিনিয়ত প্রার্থনা করেছি যেন তিনি আমাকে মানুষের সেবা করে যাওয়ার তৌফিক দান করেন। আমি জামালপুরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই।

কীভাবে তার শরীরে এ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে? এ প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে বুলবুলের উত্তর ছিল, জামালপুর সদর এর এসিল্যান্ড জনাব মাহমুদা বেগম তার চার বছরের শিশু বাচ্চার অসুস্থতা জনিত কারণে ১ মে তিনি আমার হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসলে আমি তাকে সার্বিক সহযোগিতা করি। এক পর্যায়ে তার বাচ্চার পেটব্যাথা জনিত অসুস্থতার কারনে ডাক্তার আল্ট্রাসোনগ্রাফি করার পরামর্শ দিলে এসিল্যান্ড মহোদয় রিকোয়েস্টে আমি ডাঃ উর্মির সাথে কথা বলে জিয়া হেলথ কমপ্লেক্সে তার বাচ্চার আল্ট্রা করানোর ব্যবস্থা করি। পরবর্তিতে আল্ট্রার রিপোর্ট নিয়ে জামালপুর সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ জহির উদ্দিনের সাথে দেখা করার জন্য জামালপুর সদর হাসপাতালের সরকারি কোয়ার্টারে যাই। সেদিন আমি পুরোটা সময় এসিল্যান্ড মহোদয়ের সাথে একই গাড়িতে চলাফেরা করি এবং তার বাচ্চার চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পুরোটা সময় ব্যস্ত থাকি। পরের দিন সংবাদমাধ্যমে জানতে পারি জামালপুর সদর এসিল্যান্ড মহোদয় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সংবাদ পাওয়া মাত্র আমি সন্দেহ বশত আমার করোনা ভাইরাসের স্যাম্পল জমা দেই এবং পরবর্তীতে ৫ মে জানতে পারি আমি আমার কোভিড ১৯ পজেটিভ।

আমার কোভিড ১৯ পজেটিভ জেনে কালবিলম্ব না করে ডাক্তারের পরামর্শক্রমে আমি বাসায় একটি রুমে আইসোলেটেড হয়ে যাই। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মাহবুবুল হক স্যারের তত্বাবধানে থেকে বাসায়ই অবস্থান করি।

কেমন যাচ্ছিল সেলফ আইসোলেশনে থাকা দিনগুলো? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বন্দী জীবন হচ্ছে এমন একটি জীবন যে জীবনটি পাড়ি দিতে হয় বাবা-মা কিংবা পরিবারের কোন সদস্য ছাড়া সম্পূর্ণ একাকীভাবে। সে রকম একটি জীবনে সাধারণ জ্বরই হয়ে ওঠে অনেক বড় দুশ্চিন্তাার কারণ। সেখানে এরকম একটি অবস্থায় করোনাভাইরাসের মতো একটি শারীরিক জটিলতা যেন মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো। এক গ্লাস পানিও এগিয়ে দেওয়ার মতো কেউ নেই এ রকম একটি নিঃসঙ্গ জীবনে। রুমের মধ্যেই নিজস্ব ওয়াশ রুম এবং নিজস্ব রান্নাঘরের ব্যবস্থা থাকায় পরবর্তীতে আমাকে আর কোনও বেগ পেতে হয়নি এ সেলফ আইসোলেশন পালন করার ক্ষেত্রে।

তিনি বলেন, আমি কাজের মানুষ হয়েও ২১ দিন ঘরবন্দি হয়ে অস্বস্থিতে ছিলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত ও বিভিন্ন ধর্মীয় ইবাদতের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ রাখার মাধ্যমে এবং বাকি সময় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সার্বিক দিক নির্দেশনা দিয়ে সময়গুলো পার করেছি। এখন আমি আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ণ সুস্থ্য হয়ে আবার মানুষের জন্য কাজে ফিরতে পেরেছি এ জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া জানাই। পাশাপাশি আমার জন্য অসংখ্য মানুষ দোয়া করেছেন, নিয়মিত আমার খোঁজখবর রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

সংক্রমণের শুরুটা কীভাবে হয়েছিল? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ ছিল না আমার। তবে শরীরে হালকা জ্বরও অনুভূত হয় বলে জানান। আমার শরীরে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ খুব একটা মারাত্মক পর্যায়ে না থাকায় আমি সরাসরি নিজ বাসায় সেলফ আইসোলেশন থাকার সিদ্ধান্ত নেই।

করোনায় সুস্থ্য হওয়ার বিষয়ে বুলবুল বলেন, জামালপুর বাসীর চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে গিয়েই আমি করোনায় আক্রান্ত হই। তবে আমি চিন্তিত হয়নি। কারণ আমার শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। প্রথমে করোনায় আক্রান্তের খবরে কিছুটা ভয় পেলেও মনোবল শক্ত ছিল আমার। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযারী বাসায় থেকে ওষুধ সেবন করেছি এবং সব নিয়ম-কানুন মেনে চলেছি।

করোনাময় দিনগুলো সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, করোনার দিনগুলোতে মূলত একাকিত্বই তাকে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় ভুগিয়েছে। পাশাপাশি হালকা গলা ব্যথার কারণে খাবার গ্রহণে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হতো। তাই যতটা সম্ভব নরম জাতীয় খাবার যেমন: একেবারে নরম ভাত, সুজি, সাবুদানা ইত্যাদি গ্রহণ করতাম। বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজি ও ফলমূলের রস এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার, ভিনেগার, দুধ এ জাতীয় জিনিসগুলো খাবারের তালিকায় বিশেষভাবে স্থান পেত। এছাড়াও গরম পানির সাথে লেবুর রস, আদা, দারচিনি, লং, এলাচ, গুলমরিচ, সরিষার তেল মিশিয়ে গরম পানির ভাপ নিতাম এবং সে পানি চায়ের মতো করে পান করতাম পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ মতো প্রায় সকল ধরণের খাবার গরম থাকা অবস্থায় গ্রহণের চেষ্টা করতাম। ভিটামিন সি ও ভিনেগার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, তাই এ সময়ে তিনি বেশি করে ভিনেগার ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতাম এবং নিয়মিত ব্যয়াম করতাম। তবে করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ার পর দশ থেকে এগারো দিনের মাথায় হঠাৎ আমি লক্ষ্য করি যে রাতারাতি কোভিড-১৯ সংক্রমণের সমস্ত উপসর্গ বিলীন হয়ে গিয়েছে। মূলত এ ভাইরাসের লাইফ সাইকেল দশ থেকে চৌদ্দ দিন এবং এ সময়ে কোন ব্যক্তির শরীরের ইমিউন সিস্টেম যদি আশানুরূপ মাত্রায় থাকে তাহলে কোন ধরণের কোন সেকেন্ডারি সমস্যা (অনেকের ক্ষেত্রে যেমন নিউমোনিয়ার সমস্যা দেখা দেয়) আক্রান্ত হওয়ার ব্যতিরেকে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠি। আমার করোনা পজিটিভ হওয়ার দশ দিন পর আমি আমার স্যাম্পল জমা দিলে আল্লাহর রহমতে রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। পরবর্তিতে ১৪ দিন পর আবার ২য় স্যাম্পল জমা দিলে সেটাও নেগেটিভ হলে ডাক্তারের পরামর্শে আরো ৭ দিন আসোলেটেড থাকি। ২১ দিন পর থেকে আমি আবার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করি।  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে তার থেকে পরামর্শ চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অভ্যাস করতে হবে। অর্থাৎ কোনও নির্দিষ্ট পাবলিক প্লেসে পাশাপাশি অবস্থানের ক্ষেত্রে নূন্যতম দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যেহেতু কোভিড-১৯ এর কার্যকরী চিকিৎসা এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি এবং তিনি নিজেও যখন বিভিন্ন সময় চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন প্রত্যেকবারই তাদের পক্ষ থেকে এ একই উত্তর আসছিল। তাই পরিস্থিতি যতদিন না নিয়ন্ত্রণে আসে ততদিন পর্যন্ত একমাত্র ভ্যাকসিন হচ্ছে যতটা সম্ভব গৃহে অবস্থান করা এবং খুব বেশি প্রয়োজন না হলে বাসা থেকে বাইরে বের না হওয়া।
এছাড়াও প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন, পেন কিলার এ জাতীয় ওষুধগুলো তিনি সব সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে হাতের কাছে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। যদি কারও শ্বাসজনিত কোনও সমস্যা থাকে তাহলে তার সঙ্গে সব সময় নেবুলাইজার রাখার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। স্বাস্থ্যবিধির সাধারণ যে নিয়ম রয়েছে যেমন নিয়মিত সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ইত্যাদি। করোনাভাইরাসটি বায়ুবাহিত মাধ্যমে বেশি ছড়ায় বিশেষ করে হাঁচি কাশির মাধ্যমে এ ভাইরাস অতি দ্রুত বিস্তার লাভ করে। তাই তিনি এ ধরণের পরিস্থিতিতে বাসা থেকে বাইরে বের হওয়ার সময় সবাইকে মুখে মাস্ক পরিধান করার পাশাপাশি হাতে হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

সর্বোপরি যে জিনিসটি তিনি বলেছেন এবং সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন তা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তার কোন বিকল্প নেই। একমাত্র আত্মবিশ্বাস, মানসিক প্রফুল্লতা এবং দৃঢ় মানসিক চালিকা শক্তিই পারে কোন একজন মানুষকে নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ করে তুলতে।

সবশেষে তিনি বলেন, আমার মনোবল বাড়ানোর জন্য জামালপুর সদর-৫ আসনের মাননীয় সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পরম শ্রদ্ধেয় কাজী আশরাফ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক, জেলা আওয়াম লীগের সম্মানীত সভাপতি এডভোকেট মোহম্মদ বাকি বিল্লাহ, সি ই ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ডি ডি এল জি মুহাম্মদ কবীর উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান, নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন, ড. সামিউল হক ফারুকী, শ্রম ও কর্ম সংস্থান মন্ত্রনালয়ের এডিজি ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান,  জামালপুর সদর উপজেলার ইউএনও ফরিদা ইয়াছমিন, জামালপুর সদরের এসিল্যান্ট মাহমুদা বেগম, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন ছানু সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ প্রতিনিয়ত আমার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজখবর রেখেছেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পাশাপাশি ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ কে এম শফিকুজ্জামান, সহকারী পরিচালক ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ডাঃ মাহফুজুর রহমান সোহান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফর রহমান ,জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালেমুজ্জামান সাহেব সহ সবার অসাধারণ সহযোগিতা, গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ আমাকে যে সাহস যুগিয়েছে সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আমার পরিবার, আত্মীয় স্বজন, মালিক সমিতির সম্মানীত সভাপতি ডাঃএম এ মান্নান খান, সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তাাফিজুর রহমান বাপ্পী, সমিতির সকল সদস্য, জামালপুর জেলার সংবাদকর্মীগণ, আমার বন্ধু-বান্ধক সহ অন্যান্যরা যেভাবে এই বিপদে নিয়মিত খোজ নিয়েছেন সেজন্য সবার কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!