ঢাকা   সোমবার ২১ জানুয়ারী ২০১৯ | ৮ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  উপজেলা নির্বাচনের জন্য ব্যয় বরাদ্দ ৬৭৭ কোটি টাকা (জাতীয়)        সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        ধনী বৃদ্ধির হারে বিশ্বে তৃতীয় বাংলাদেশ (বিবিধ)        জন্মবার্ষিকীতে জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে বিএনপির শ্রদ্ধা (রাজনীতি)        চিকিৎসা নিতে আজ সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন এরশাদ (বিবিধ)        ডাকসু নির্বাচনের জন্য ৫ রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ (রাজনীতি)        ভুয়া আইডিতে বন্দর থেকে খালাস হয়ে গেছে হাজার হাজার চালান (চট্রগ্রাম)        বিপুল বকেয়ার কারণে বিমানকে বাকিতে জেট ফুয়েল দিতে রাজি নয় বিপিসি (বিবিধ)        পরাজয়ের বেদনা ভুলতে ভোট নিয়ে প্রশ্ন: ওবায়দুল কাদের (রাজনীতি)        ফের বিক্ষোভে পোশাক শ্রমিকরা (বিবিধ)      

দলীয় নেতৃত্ব প্রশ্নে আস্থা ভোটের মুখোমুখি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:25:40 pm, 2018-12-12 |  দেখা হয়েছে: 6 বার।

আজ ডেক্সঃ দলীয় নেতৃত্ব প্রশ্নে আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার তার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে পার্লামেন্টে এ ভোট হবে। ব্রিটিশদের মধ্যে ব্রেক্সিট নিয়ে রয়েছে প্রবল ভিন্নমত। জরিপে ব্রেক্সিট গণভোট পরবর্তী সময়ে দেশটির জনগণের মনোভাব পাল্টে যাওয়ার চিত্র দেখা গেছে। অন্যদিকে তেমনি ব্রেক্সিটবিরোধীদের অনেকে দাবি তুলেছেন আরেকটি গণভোটের। দলীয় নেতৃত্ব প্রশ্নে নতুন করে প্রতিযোগিতা আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির '১৯২২ কমিটি'তে ন্যুনতম ৪৮টি চিঠি জমা হওয়ার পর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন মে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। ২০১৬ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে যাওয়ার পক্ষে (ব্রেক্সিট) ব্রিটিশ নাগরিকরা ভোট দেওয়ার পর পরই সেদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন থেরেসা মে। তবে নিজস্ব ব্রেক্সিট পরিকল্পনা নিয়ে তোপের মুখে রয়েছেন তিনি। এমনকি নিজ দলেও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে থেরেসাকে। এমন অবস্থায় পার্লামেন্টে তার বিরুদ্ধে আস্থা ভোটে অংশ নেবেন কনজারভেটিভ পার্টির এমপিরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত আটটার মধ্যে এ ভোটাভুটি হবে। আস্থা ভোটে থেরেসা মে-এর পক্ষে যদি ভোটের সংখ্যা বেশি থাকে তবে তিনি উতরে যাবেন। অন্তত আরও এক বছরের জন্য তার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। আর যদি আস্থা ভোটে থেরেসা মে হেরে যান, তবে কনজারভেটিভ নেতৃত্ব প্রশ্নে আবারও প্রতিযোগিতা হবে এবং থেরেসা মে সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। আবার এমন যদি হয় যে থেরেসা মে আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন ঠিকই কিন্তু সবার সমর্থন পাননি, তবে তিনি চাইলে দলীয় প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন। কনজারভেটিভ পার্টি পার্লামেন্টের সবচেয়ে বড় দল হওয়ায় যে ব্যক্তি এর নেতৃত্বে থাকবেন তিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন। ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত করা নিয়ে মতবিরোধের জেরে পদত্যাগ করেছেন দুই দুইজন ব্রেক্সিটবিষয়ক মন্ত্রী। অন্য মন্ত্রণালয়েরও কয়েকজন সরে দাঁড়িয়েছেন। এদের মধ্যে সর্বশেষ হচ্ছেন বিজ্ঞান ও বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। গত ৬ ডিসেম্বর থেরেসা মে বলেছেন, তিনি যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যে খসড়া চুক্তি করেছেন তা যদি সংসদ সদস্যরা মেনে নিতে না চান, তাহলে তারা ‘নো ডিল ব্রেক্সিটকেই’ ডেকে আনবেন। আর যদি ‘নো ডিল ব্রেক্সিটও’ না চান, তাহলে তারা কার্যত ব্রেক্সিট বাতিলের দিকেই ঠেলে দেবেন যুক্তরাজ্যকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ব্রেক্সিট বাতিল হয়ে যাওয়াটা মের কাম্য নয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যে গণভোটের মাধ্যমে ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত হয়েছিল তাকে সম্মান করা উচিত।