ঢাকা   ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ইয়েমেন যুদ্ধের মধ্যে ১৮০ কোটি ডলারের মার্কিন অস্ত্র কিনল আবু ধাবি (আন্তর্জাতিক)        নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিয়েবাড়িতে ট্রাক, নিহত ১৩ (আন্তর্জাতিক)        কাশ্মিরে অস্ত্র হাতে তুলে নিলেই গুলির নির্দেশ (আন্তর্জাতিক)        সৌদি যুবরাজের নির্দেশে মুক্ত হচ্ছেন ২১০০ পাকিস্তানি বন্দি (আন্তর্জাতিক)        আমাদের সকল প্রচেষ্টা ও প্রয়াস সার্থক হয়েছে: সিইসি (জাতীয়)        সততাই আমাদের সরকারের মূল চালিকাশক্তি: প্রযুক্তিমন্ত্রী (রাজনীতি)         শাজাহান খানের নেতৃত্বে সড়কে শৃঙ্খলার কমিটি হাস্যকর: রিজভী (রাজনীতি)        উপজেলা নির্বাচন জৌলুস হারাতে বসেছে: ইসি মাহবুব (জাতীয়)        সংবাদমাধ্যমের আরো দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী (জাতীয়)        শহীদ মিনারে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: আছাদুজ্জামান (জাতীয়)      

ইরানকে নিবিড়ভাবে নজরে রাখতে চান ট্রাম্প

Logo Missing
প্রকাশিত: 08:37:49 pm, 2019-02-04 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আজ ডেক্সঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে নিবিড়ভাবে নজরে রাখার জন্য ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে নিবিড়ভাবে নজরে রাখার জন্য ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা জরুরি। রোববার আমেরিকার সিবিএস নিউজ চ্যানেলে ‘ফেস দ্য নেশন’ প্রোগ্রামে এক সাক্ষাৎকারে ইরানকে ‘আদতেই একটি সমস্যা’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরাকের ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র অনেক অর্থব্যয় করেছে। আমরা এ ঘাঁটি রেখেও দিতে পারি। এর একটি কারণ হল, আমি ইরানের ওপর একটু নজর রাখতে চাই। কারণ ইরান আদতেই একটি সমস্যা।” ট্রাম্পের একথার মানে ইরাকে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখে ইরানে হামলা করার সক্ষমতাটাই হাতে রাখা কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “না। কারণ, আমি ইরানকে লক্ষ্য রাখতে পারাটাই চাই।” ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী দেশ’ আখ্যা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা উস্কে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দায়ী করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি যা করতে চাই, তা হচ্ছে কেবল নজর রাখা। ইরাকে আমাদের চমৎকার এবং ব্যয়বহুল সামরিক ঘাঁটি আছে। গোলযোগপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকা নজরে রাখার মতো মোক্ষম জায়গাতেই সে ঘাঁটি অবস্থিত।” ট্রাম্প আরো বলেন, “সিরিয়া থেকে ফিরিয়ে নেওয়া কিছু সেনা ইরাকের ঘাঁটিতে যাবে। আর সবশেষে কিছু সেনা দেশে ফিরবে।” সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা ফেরানো নিয়ে সামরিক উপদেষ্টা ও গোয়েন্দা প্রধানদের সতর্কবার্তার পরও ট্রাম্প তার সিদ্ধান্তের পক্ষ সমর্থন করেই কথা বলেছেন। তবে সিরিয়া থেকে কবে সেনা ফেরানো হবে তার কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি। ওদিকে, ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গে ট্রাম্প সাক্ষাৎকারে বলেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাটাও বিবেচনায় রেখেছে। তিনি বলেন, “কথাটি আমি বলতে চাই না। কিন্তু এটি অবশ্যই একটি বিকল্প পন্থা হিসাবে হাতে আছে।” ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পদত্যাগের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বাড়তে থাকার মধ্যে ট্রাম্প একথা বললেন। ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলা সংকটে হস্তক্ষেপ করবে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ওই কথা বলেন।