সেলিম মাহমুদ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলাধীন ৯ নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নে হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থী, অত্র ইউনিয়নের বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর, মানবতা ও সততার উজ্জ্বল নক্ষত্র জনাব মোঃ জহুরুল ইসলাম মাস্টার চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়ে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
খবর নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে শহীদ জিয়ার আদর্শের এই রাজপথের লড়াকু সৈনিক আব্দুল আলিম, মির্জা কাশেম, সিনিয়র মাদ্রাসা, মাদারগঞ্জ এ অধ্যয়নকালে ছাত্রদলে প্রবেশ করেন। অত্যন্ত মেধাবী, চৌকস ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেন। তারই ধারাবাহিকতায় ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন দুইবার। বর্তমানে তিনি বেলতৈল মডেল কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, বেলতৈল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ঈদগাহ মাঠের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ খাঁয়েরপাড়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।
বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। মামলা, হামলা, জেল-জুলুম, বাড়িছাড়া ও হয়রানি সহ্য করেও জিয়ার আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র টলেননি রাজপথের এ নিবেদিত উদীয়মান জননেতা। মাদকবিরোধী সেমিনার, বৃক্ষরোপণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, ঈদ সামগ্রী উপহার, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, গোরস্থান, ওয়াজ মাহফিল ও পূজাপার্বণসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে তাঁর যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
তাঁর সম্পর্কে জানতে চাইলে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম জাফর মাস্টার বলেন, “জহুরুল একাধারে একজন শিক্ষক, সমাজসেবক, সফল রাজনীতিবিদ ও জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাসের প্রতীক। তাঁর মতো নেতাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করলে এলাকার জনগণ খুঁজে পাবে ভরসার এক নতুন ঠিকানা। আমরা তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।”
ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোঃ বাবুল আহমেদ বলেন, “আমি বিশ্বাস করি এলাকার জনগণ জহুরুল ভাইকে এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের সকল অনুদান ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বণ্টন হবে, সেই সাথে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়বিচার।”
অত্র ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, “জহুরুল ভাই একজন ভালো মনের মানুষ। এলাকার জনগণ তাঁকে খুব ভালোবাসেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন হবে উন্নত, আধুনিক ও যুগোপযোগী।”
২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল হাজারী বলেন, “জহুরুল সবসময় মানুষের পাশে থাকেন, বিপদে-আপদে ছুটে যান, কোনো রকম দুর্নীতি করেন না। তিনি একজন ন্যায়বিচারক এবং গরিব, দুঃখী, মেহনতি মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে রয়েছে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক।”
ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত মোঃ মিস্টার আলী বলেন, “ছাত্রজীবন থেকে আজ অবধি আমি তাঁর ভেতরে কোনো রকম হিংসা, লোভ, অহংকার কিংবা অসদুপায় অবলম্বন করতে দেখিনি। তিনি সমাজের অবহেলিত মানুষকে যেভাবে সহযোগিতা করেন, তাতে তাঁর মতো নেতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার জনগণ যেমন খুঁজে পাবে একজন নির্ভরযোগ্য, জবাবদিহিতামূলক ও হয়রানিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ, তেমনি এলাকার উন্নয়ন হবে দৃষ্টান্তমূলক।”
স্থানীয় বাসিন্দা জয়নুদ্দিন, সানোয়ার, আশরাফ আলী, আলতাফ, খোকন, আবুল হোসেন, আব্দুল গাফফার, মোমিন, বাচ্চু, আব্দুল্লাহ, আনোয়ার, ইউনুস, সোলায়মান, আব্দুল হাই ও বাবু বলেন, “আমরা তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”
তাঁর মতো মহান নেতা নির্বাচিত হলে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন হবে একটি মডেল ইউনিয়ন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায় বিচার ও সুশাসন, জনগণ খুঁজে পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা। ইউনিয়ন পরিষদের সকল বরাদ্দ ন্যায্যতার ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রাপ্তযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সমবন্টন করা হবে বলে আমাদের বিশ^াস।
“মোঃ জহুরুল ইসলাম মাষ্টার বলেন,”একটি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত স্বনির্ভর মডেল ইউনিয়ন গড়তে তোলাই আমার দীর্ঘদিনের আকাঙ্খা। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, বাল্যবিবাহমুক্ত, নারী ও শিশু নির্যাতনমুক্ত একটি হাসিখুশি, সুখী সমৃদ্ধ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন। এলাকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা কেন্দ্র, রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, মসজদি, মন্দির, এতিমখানা, ঈদগাহ্ মাঠ, গোরস্থানসহ সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি একটি গ্রহণযোগ্য, মর্যাদাশীল, দূর্নীতিমুক্ত, স্বনির্ভর, শিক্ষাবান্ধব, জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার। যতদিন বাঁচবো ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নবাসীর খেদমত করে যেতে চাই।”
