Thursday, September 23, 2021
Home জাতীয় এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে

আ.জা. ডেক্স:

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে। দশম শ্রেণির আলাদা বই দেয়া হবে, তার ওপরে ভিত্তি করে শ্রেণির পড়া বইয়ের ওপরেই হবে এসএসসি পরীক্ষা। এইচএসসি পরীক্ষা দুই বছরে দুইবার নেয়া হবে। প্রথমে একাদশ শ্রেণিতে পড়া বিষয়গুলোর ওপরে বছর শেষে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এর নম্বর নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড সংরক্ষণ করবে। পরে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়া বিষয়ের ওপর আবার পরীক্ষা দেবে শিক্ষার্থীরা। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল যোগ করে এইচএসসির ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট মাধ্যমে জানা গেছে, নতুন করে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিকপর্যন্ত শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনার কাজ শুরু করা হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা নেই। চতুর্থ থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত ৭০ শতাংশ নম্বর থাকবে ধারাবাহিক মূল্যায়নে। এ ছাড়া অষ্টম-নবমে ৬০, দশমে ৫০ শতাংশ এবং এইচএসসিতে ৩০ শতাংশ নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের আওতায় আসবে। ২০১২ সালের পর ফের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার আসছে। এর আগে ১৯৯৫ সালেও এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের আলোকে এখন সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাক্রম তৈরি হচ্ছে। আগামী বছর শুধু চারটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেয়া হবে। শ্রেণি চারটি হচ্ছে, প্রথম ও দ্বিতীয় এবং ষষ্ঠ ও সপ্তম। এসব শ্রেণির শিক্ষাক্রম লেখার কাজ ১৫ এপ্রিলের মধ্যে শেষ হবে। এরপরে পাঠ্যবই লেখা শুরু হবে। ২০২৪ সালের মধ্যে দশম শ্রেণি এবং ২০২৬ সালের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রমে বই প্রবর্তন শেষ হবে। এর আগে ২০২৩ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন পাঠ্যবই যাবে। আগামী বছর থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছর মেয়াদি হবে। চলতি বছর দেশের বিভিন্ন স্কুলে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হলে সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন করে দেয়া হবে। বর্তমানে শিক্ষাক্রমে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে কিছু বলা নেই। সরকারের নির্বাহী আদেশে পরীক্ষা দুটি হচ্ছে। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমেও এ বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা নেই বলে জানা গেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, বর্তমানে ২০১২ সালে প্রবর্তিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া চলছে। বিশ্বব্যাপী পাঁচ বছর পরপর শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়ে থাকে। যুগের চাহিদা ও বাস্তবতা বিবেচনায় এটা স্বাভাবিক কার্যক্রমেরই অংশ। সেই হিসেবে আরও আগে এ পরিমার্জন আসা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, বর্তমানে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী, দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীই একই পাঠ্যবই পড়বে। এমনকি এ দুই শ্রেণিতে তারা প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ পাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

ময়মনসিংহে লোডশেডিং দেড়শ’ মেগাওয়াট : নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে মতবিনিময়

মো. নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ : দীর্ঘদিন পর লকডাউন তুলে নেয়ার পর ময়মনসিংহের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও প্রতিদিন অসংখ্য বার...

ডিজিটালাইজেশনের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সচেতনতার অভাব: মোস্তাফা জব্বার

ময়মনসিংহ ব্যুরো : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটালাইজেশনের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সচেতনতার অভাব।জনগণকে ডিজিটাল প্রযুক্তির...

সরিষাবাড়ীতে নিখাই গ্রামে গণপাঠাগার উদ্বোধন

আসমাউল আসিফ: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, গ্রামে গ্রামে পাঠাগার’ এই শ্লোগানে সুর সম্রাট আব্বাস উদ্দিনের স্মৃতি বিজড়িত নিখাই...

সংক্রমন বেড়ে গেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি

আসমাউল আসিফ: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি এমপি বলেছেন, গত বছরের মার্চ মাস থেকে করোনা সংক্রমনের কারনে পাঠদান বন্ধ ছিল,...

Recent Comments