Sunday, September 20, 2020
Home জাতীয় নথিতেই বন্দি সরকারি নির্দেশনা

নথিতেই বন্দি সরকারি নির্দেশনা

সোমবার রাত সাড়ে ১০টা- ভয়াবহ যানজট লেগে আছে রামপুরার ডিআইটি সড়কে। একাধিক ট্রাফিক পুলিশ প্রাণান্ত চেষ্টা করেও তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। একই চিত্র ছিল কুড়িল বিশ্বরোড ও মধ্যবাড্ডারও একাধিক স্থানে। রাত ১১টাতেও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহণের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিগত গাড়ি নির্বিঘ্নে চলাচল করতে দেখা গেছে। অথচ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রাত ১০টার পর যানবাহন চলাচল দূরে থাক, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষের ঘরের বাইরে না বের হওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এ নির্দেশনা ৩ আগস্ট পর্যন্ত বলবৎ রাখার কথা বলা হয়েছে। যদিও এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে কারা কীভাবে কাজ করবে, কে তা মনিটর করবে এবং নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এসব ব্যাপারে সরকারি ওই নির্দেশনায় কোনো কিছুই উলেস্নখ নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শুধু সাধারণ মানুষের চলাচলের বিষয়ই নয়, অন্যান্য বিষয়েও যেসব নির্দেশনা রয়েছে তার কোনোটিরই প্রাতিষ্ঠানিক বা কাঠামোগত নজরদারি নেই। ফলে সবকিছু চলছে জনগণের ইচ্ছেমাফিক।র্ যাব-পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীও এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আছে কিনা তা তার জানা নেই। তবে মাঠপর্যায়ে তাদের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে নানা ধরনের গোঁজামিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকের্ যাবের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেও এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়ার কথা জানা যায়নি। তারা জানান, দেশে করোনা সংক্রমণের প্রথমদিকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদেরকে জনসাধারণের অযথা ঘোরাঘুরি ও নির্ধারিত সময়ের পর যানবাহন চলাচল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধে মৌখিক কিছু নির্দেশনা দিলেও এ ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলেনি। তবে ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর তারা আর এদিকে নজর দেয়নি।

প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা

বলেও এ ব্যাপারে কোনো সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। বরং তাদের এলোমেলো বক্তব্যে গোটা বিষয়টিতে বড় ধরনের সমন্বয়হীনতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে এসেছে। এ নিয়ে খোদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দায়সারা নির্দেশনা দিয়ে করোনা সামাল দেওয়ার পরিবর্তে সে ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

এদিকে যে ৮ জন বিশেষজ্ঞ ‘কোভিড-১৯ মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কারিগরি নির্দেশনা’ তৈরি করেছেন, তারা নিজেরাও এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই নির্দেশনা তৈরির সঙ্গে যুক্ত জনস্বাস্থ্যবিদ আবু জামিল ফয়সাল বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে এসব নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে, জনগণ তা মানছে না। এতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগছে। এ পরিস্থিতি উত্তরণে এবং সাধারণ মানুষ যাতে এসব নির্দেশনা মেনে চলে এ জন্য এখন বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া কোনো গতি নেই। তবে কবে নাগাদ সে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে এ ব্যাপারে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানাতে পারেননি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সরকার আসলে ঠিক কী করতে চাইছে, তা আমরা নিজেরাই বুঝতে পারছি না। সেখানে সাধারণ মানুষের দোষ দিয়ে কি লাভ।’ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করে তা মনিটরিংয়ে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাতে কাজের কাজ কিছুই হবে না বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটিতে ২৫ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামে যাবে। এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটসহ বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহর থেকে আরও প্রায় এক কোটি মানুষ শেকড়ের টানে ঘরে ফিরবে। এতে গ্রামাঞ্চলে করোনাভাইরাস ভয়াবহ সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটিতে কর্মস্থলে থাকার সুস্পষ্ট নির্দেশনা এবং গার্মেন্ট কর্মীদের গ্রামে না যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও তা তারা কতটা মানবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, গত রোজার ঈদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থল না ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও অনেকেই তা মানেনি। বরং গণপরিবহণ বন্ধ থাকার পরও অনেকে ভাড়া করা গড়িতে পরিবার নিয়ে গ্রামে গিয়েছেন। এ অবস্থায় এবার গণপরিবহণ সচল থাকায় সে নির্দেশনা সরকারি চাকুরেরা কতটা মানবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

এদিকে বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গার্মেন্ট কর্মীর সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তা সত্যিকার অর্থেই ভয়াবহ। বেশিরভাগ সরকারি চাকুরে জানিয়েছেন, ঈদের ছুটিতে কে কর্মস্থলে থাকল, কে গ্রামে গেল- তা মনিটরিংয়ের কেউ নেই। গত ঈদেও এ ব্যাপারে কোনো নজরদারি হয়নি। তাই ওই সময় যারা সরকারি নির্দেশনা মেনে গ্রামে যায়নি, তারাও এবার সে ভুল করতে চাইছেন না। সরকারি চাকুরেদের অনেকেই এরই মধ্যে পরিবার-পরিজন গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে ঈদের ছুটি পেলেই বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। এরই মধ্যে তারা কেউ কেউ কোরবানির গরু-ছাগল কেনার জন্য গ্রামের বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনের কাছে টাকাও পাঠিয়ে দিয়েছেন।

এদিকে গার্মেন্ট কর্মীরাও যে সরকারের অনুরোধ মেনে ঈদের ছুটিতে ঢাকায় কিংবা অন্যান্য জেলা শহরের কর্মস্থলে বসে থাকবে না তা তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিষ্কার হওয়া গেছে। গার্মেন্ট শ্রমিক নেত্রী আলেয়া খাতুন এ প্রতিবেদককে বলেন, শ্রমিকরা যাতে ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে না পারে এজন্য গার্মেন্ট মালিকদের ঈদ বোনাস ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে বলা হলেও বেতন দিতে বলা হয়েছে ৩০ তারিখে। তবে এতে তেমন কোনো লাভ হবে না। এই শ্রমিক নেত্রী মনে করেন, গার্মেন্ট কর্মীদের এমনিতেই ছুটি কম। এছাড়া তাদের বেশিরভাগ কর্মীর স্বামী কিংবা স্ত্রী এবং সন্তানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা গ্রামেই বসবাস করেন। তাই তারা এ সুযোগ হাতছাড়া করবে না। এছাড়া তারা লঞ্চ-বাস-ট্রেনের ছাদে চড়েও বাড়িতে ফিরতে অভ্যস্ত হওয়ায় ঈদযাত্রার ভিড় তাদের গায়ে লাগবে না।

দূরপালস্নার গণপরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা জানান, ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়নি। তবে ওই সময় যে নিঃসন্দেহে ভিড় বাড়বে তা তারা আগেই অনুমান করতে পারছে। এ ব্যাপারে তাদের যুক্তি, ঈদের আগেই যেভাবে পরিবারের উপার্জনশীল ব্যক্তি ছাড়া অন্য সদস্যরা গ্রামমুখী হচ্ছে, তাতে শেষ সময়ে ভিড় নিশ্চিত বাড়বে। এছাড়া রেন্ট-এ-কারের মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদের আগে কয়েকদিনে তাদের সব গাড়ি দূরপালস্নার যাত্রায় ভাড়া হয়ে গেছে। যারা গাড়ি ভাড়া করেছেন, তাদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক সরকারি চাকুরে রয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেন তারা।

এদিকে ঈদের আগে গণপরিবহণে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামার সম্ভাবনা থাকলেও যানবাহনের মালিক-শ্রমিকরা যাত্রীদের করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত নির্দেশনা মানবে কিনা তা মনিটরিংয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা কারো জানা নেই। অথচ গণপরিবহণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রায় ডজনখানেক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে শুধু গণপরিবহণ নয়, সর্বস্তরে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার যে দুটি সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল তা-ও কার্যত কেউই মানছে না। শহর-গ্রামাঞ্চল সবখানেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। অথচ নির্দেশনাগুলো কত মানুষ মানছে, না মানলে কেন মানছে না- এসব বিষয়ে কোথাও নজরদারির কোনো চিত্র দেখা যায়নি। যদিও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তা মনিটরিংয়ে বারবার তাগিদ দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, নজরদারি থাকলে সবাই নির্দেশনা মেনে না চললেও, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর নূ্যনতম ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষকে তা মানানো সম্ভব হতো। আর এতেই মূল টার্গেট বহুলাংশেই পূরণ হতো।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, ব্যাপক জনগোষ্ঠীর ওপর নজরদারি করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে সম্ভব না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। তা হলে পরিস্থিতি দ্রম্নত নিয়ন্ত্রণে আসবে।

এদিকে গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে মাস্ক ব্যবহার সংক্রান্ত নতুন পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সেখানে আসা সেবা গ্রহীতাদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবে। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটিকে। এছাড়া শপিংমল, বিপণি বিতান ও দোকানের ক্রেতা-বিক্রেতাদের আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত এবং মাস্কহীন ক্রেতা-বিক্রেতার কাছে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করে তা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, মার্কেট ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর গণপরিবহণের শ্রমিক ও যাত্রীর মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পরিবহণ মালিক সমিতিকে।

এর আগে কারিগরি কমিটি একাধিকবার মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়ার পর নতুন করে এ পরিপত্র জারির বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলেছে। তাদের ভাষ্য, আগের নির্দেশনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় নতুন পরিপত্র দেওয়া হয়েছে- এটা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে। অথচ এবারের উদ্যোগ কার্যকরের জন্য নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও তা কারা কীভাবে মনিটর করবে, তা বলা হয়নি। তাতে এ উদ্যোগ আগের মতোই ব্যর্থ হবে- সে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্দেশনাগুলো ওয়েবসাইটে দিয়ে রাখাই যথেষ্ট না। এসব নির্দেশনা সুনির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র ছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে এই কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের ভাষ্য, এজন্য রাষ্ট্রকে দুটি কাজ করতে হবে। জনপরিসরে এসে ঝুঁকি তৈরি করছে এমন ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। দরিদ্র মানুষের জন্য বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আ.জা. আন্তর্জাতিক: ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকায় পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউএসএস নিমিৎজ নামের...

হেফাজত আমির আহমদ শফী আর নেই

আ.জা. ডেক্স: হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ১০৪ বছর।...

যাত্রীবাহী বাসে দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

আ.জা. ডেক্স: কুমিল্লায় তিশা প্লাস নামে একটি যাত্রীবাহী বাসে এক যাত্রীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা...

এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২৪ সেপ্টেম্বর

আ.জা. ডেক্স: করোনা ভাইরাসের কারণে স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কবে ও কীভাবে নেওয়া হবে সে বিষয়ে...

Recent Comments