Friday, December 9, 2022
Homeজামালপুরমাদারগঞ্জে আউশ ধানে সোনালি স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

মাদারগঞ্জে আউশ ধানে সোনালি স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

মাদারগঞ্জ সংবাদদাতা:

আউশ ধানে সোনালি স্বপ্ন দেখছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা। এবার বোরো ধানের ভালো দাম পাওয়ায় আউশ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। বোরো কাটার পরপরই অনেক কৃষক আউশ ধান রোপন করেছেন। আউশের উৎপাদন খরচ কম। পানি সেচ তেমন প্রয়োজন হয় না। সেই সাথে সার-কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় সীমিত। এজন্যই আউশ চাষে আগ্রহ কৃষকদের। তবে এ উপজেলার কৃষকদের আউশ চাষে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও বন্যার কারণে অনেকেই আবাদ করেতে পারেন না। উপজেলার উচু এলাকাগুলোতে আবাদ করা হয় আউশের। আর নিচু এলাকাগুলোতে আউশের আবাদ করা সম্ভব হয় না। বন্যার ফলে নিচু জমিগুলোতে রোপনকৃত আউশ ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ঠ হয়ে যায় । যার ফলে এ উপজেলায় বন্যা আউশ চাষের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আউশের আবাদ করা হয়েছে। এখন সবুজে ঢেকে গেছে আউশ খেত। কৃষকরা ধান গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২২৫ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদ করা হয়েছে। এ বছর আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪০৩ হেক্টর জমি। এবার মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও গত বছরের চেয়ে ২০হেক্টর বেশি জমিতে আউশ আবাদ করা হয়েছে।
উপজেলার জোনাইল গ্রামের কৃষক আব্দুস সোবাহান, মোস্তফাসহ বেশকয়েকজন আউশ চাষী জানান, এবার বাজারে বোরো ধানের ভালো মূল্য পেয়েছি। এজন্য বোরো কাটার পর আউশ চাষ করেছি। আউশ চাষে খরচ অনেক কম হয়। আশা করি এবার আউশের ভালো ফলন পাবো। আমাদের এলাকার কৃষকদের আউশ চাষে আগ্রহ আছে কিন্তু বন্যার কারণে তারা এ আবাদ করতে পাচ্ছে না। বন্যায় আউশের খেত পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে আউশের খেত নষ্ঠ হয়ে যায়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহফুযুল ইসলাম জানান, আমরা আউশ ধান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে ৮৫০ জনকে প্রণোদনা প্রদান করেছি। গত বছরের চেয়ে এবার মৌসুমে ২০ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ বাড়ানো হয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক কোনো বিপর্যয় না হলে কৃষকরা আউশের ভালো ফলন হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments