Saturday, September 26, 2020
Home জাতীয় সংসদ সদস্যরা যেন অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা না করেন: প্রধানমন্ত্রী

সংসদ সদস্যরা যেন অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা না করেন: প্রধানমন্ত্রী

আ.জা. ডেক্স:

সংসদ সদস্যদের প্রতি অনুরোধ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংসদ সদস্যদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, তারা যেন এই ধরনের অপরাধীদের কখনো রক্ষা করার চেষ্টা না করেন। অপরাধ যে করে এবং অপরাধীকে যারা রক্ষা করে তারা সমান দোষী। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন-অর-রশিদের করা এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ইতোমধ্যে ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং গ্রেফতার করা হচ্ছে। আসলে বিষয়টা কী, সেটা আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেখানে আরো কী কী ঘটনা থাকতে পারে সেগুলো যথাযথভাবে দেখা হচ্ছে। তাকে হেলিকপ্টারে করে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে আসাসহ তার চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, অপরাধী কোন দলের, কে, কি আমি কিন্তু সেটা বিচার করি না। সেটা আপনারা দেখেছেন। আমি অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখি। সেখানে যদি আমার দলেরও লোক হয়, সমর্থক হয় তাকেও আমি ছাড়ি না, ছাড়ব না। এটা হলো আমার নীতি এবং সেই নীতি নিয়ে আমি চলছি।

তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাসের সময়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকে আমাদের প্রশাসন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, আনসার, ভিডিপি, পুলিশ বাহিনী ও আমাদের দলের নেতাকর্মী ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ আন্তরিকতার সাথে মাঠে কাজ করেছে। এই কাজ করতে গিয়ে আমাদের বহু নেতাকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, অনেকে মারা গেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একটার পর একটা ধাক্কা আসলো। করোনাভাইরাসের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে সেই ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ২৪ লাখ মানুষকে আমরা সরিয়ে তাদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেছি। আম্ফানের ধাক্কা কাটতে না কাটতে এল বন্যা। সেই বন্যা মোকাবিলা করা এবং এই প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সাহায্য করা এটা কিন্তু সকলে মিলে সম্মিলিতভাবে করা হয়েছে। এটা করার ফলে আমরা সেখান থেকে মুক্তি পেয়েছি। তিনি বলেন, যারা এত আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে তাদেরকে এইভাবে আঘাত করা কখনো গ্রহণযোগ্য না। আমরা কিন্তু ইতোমধ্যে অপরাধী শনাক্ত করা এবং যাদেরকে ধরা হয়েছে এর পেছনে কারা আছে সেটাও কিন্তু তদন্ত করা হচ্ছে। এটা খুব ভালোভাবেই তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে কোনো ঘাটতি নেই। অপরাধী ঠিকই শাস্তি পাবে সেই ব্যবস্থা আমরা করব।

বিএনপির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বলেছেন, ‘অতীত টেনে কথা বলি কেন?’ অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনের চলার পথ নির্দিষ্ট করতে হয়। তা না হলে শিক্ষা হয় না। সেই কারণেই অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হয়। এখানে অতীত নিয়ে কথা না একানব্বই সালের কথা আমি বলেছি, সেই ঘূর্ণিঝড়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, আমরা তো দেখেছি কত অবহেলার শিকার হয়েছিল এই দেশের মানুষ, ঠিক সত্তরের ঘূর্ণিঝড়ের পর যেমন মানুষ অবহেলিত ছিল। সেই সময় আমরা বিরোধী দলে থেকে আমরাই সেই দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। তারপর সরকার গিয়েছিল, সরকারতো ঘুমাচ্ছিল। আর এই পার্লামেন্টে বলেছিল, ‘যত মানুষ মরার কথা ছিল তত মানুষ মরেনি’। এটা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল। এইটা হলো দুর্ভাগ্য। অতীতকে স্মরণ করতে হবে, সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তাহলে আমরা আগামী দিনের পথ চলতে পারবো।

সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার করা এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কথাটা তো একেবারে বাস্তব যে ঘরে ঘরে, বেডরুমে বেডরুমে কেউ পাহারা দিতে পারে না। কিন্তু তারপরও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে আমরা সব সময় সজাগ রয়েছি, ব্যবস্থা নিচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, এখন একজন ইউএনওর যে ঘটনাটা ঘটে গেছে, ওয়াহিদার ক্ষেত্রে যেটা ঘটেছে, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। বাড়ির ভেতরে ঢুকে এভাবে আক্রমণ করা বা হাতুড়ি দিয়ে পেটানো…চোর ঢোকে চুরি করতে… কিন্তু এভাবে একটা সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলা করা, এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর বিরুদ্ধে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। তিনি বলেন, একটা কথা আপনারা জানেন যে, এই বাংলাদেশে কী ঘটনাটা ঘটেছে…পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ঘরে ঢুকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে…তিনি তো রাষ্ট্রপতি ছিলেন…গোটা পরিবারকে হত্যা করেছে… এবং সেই খুনিদের ইনডেমিনিটি দিয়ে বিচারের হাত থেকে মুক্ত করেছে। যারা এত বড় ক্রিমিনাল, এই ধরনের খুনি, ক্রিমিনালদের যখন প্রশ্রয় দেয়া হয়, মানসিকভাবে সেই দেশের মানুষের কী রকম চরিত্র হতে পারে সেটাই বিবেচ্য বিষয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখান থেকে একটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা, ডিসিপ্লিনে নিয়ে আসা, অন্যায়কারী… তাদের বিরুদ্ধে যেন শাস্তি হয়, বিচার হয় এটাই তো সব থেকে বড় কাজ। ঘটনা যেকোনো সময় ঘটতে পারে। সেই ঘটনার সাথে সাথে আমরা সরকারপক্ষ থেকে যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি কি-না সেটাই হচ্ছে বড় প্রশ্ন। সে কারণে আমরা যখনই যেখানে যে ঘটনা ঘটে, যারা জড়িত, তদন্তে যার নাম আসবে, যে জড়িত, সে কে, কী করে- আমি সেটা দেখতে চাই না। আমি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কিন্তু নিচ্ছি এবং আমরা এটা নেবো।

তিনি বলেন, সেটা আমরা করে যাচ্ছি। এটা সব ক্ষেত্রে। এর বেশি আর কিছু বলার নেই। কারণ যে দেশে খুনিদের পুরস্কৃত করা হয় দূতাবাসে চাকরি দিয়ে। যে দেশে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া হয়েছে। এ রকম অবস্থা ছিল সেই দেশটাকে ডিসিপ্লিনের ফিরিয়ে আনা, সেই দেশটাকে নিয়মমাফিক চালানো খুব কঠিন একটা দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব আমরা সরকারে আসার পর থেকে পালন করে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, যেখানে পাঁচশ বোমা হামলা হয়েছে। প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারীরা অস্ত্র নিয়ে মিছিল করেছে। এ ধরনের বহু ঘটনা আমাদের দেশে ছিল। কিন্তু আমরা তো ধীরে ধীরে সেগুলো একটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। তারপরও এত জনসংখ্যা, এত ঘনবসতির একটা দেশে খুব কঠিন একটা কাজ। তারপরও আমরা কিন্তু করে যাচ্ছি। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা যথেষ্ট সক্রিয়। যখনই যে ঘটনা ঘটে আমরা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই।

সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঘুম থেকে উঠেই নামাজ পড়ি। কোরআন তিলাওয়াত করি। এরপর এক কাপ চা নিজেই বানাই। আমার চা টা আমিই বানাই। নিজের চা-কফি নিজেই বানিয়ে খাই। এরপরে বই-টই যা পড়ার পড়ি। সকালে একটু হাঁটতে বের হই। তবে আরেকটা কাজ করি এখন। গণভবনে একটি লেক আছে। যখন হাঁটতে যাই, লেকের পাড়ে বসি, তখন একটা ছিপ নিয়ে বসি, লেকে মাছও ধরি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাসায় আমার ছোটবোন থাকে। যে আগে ওঠে সে চা বানায়। এখন আমার মেয়ে পুতুল আছে। যে ঘুম থেকে আগে ওঠে সেই বানায়। আমরা নিজেরা করে খাই। এর আগে নিজের বিছানা থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে বিছানাটা গুছিয়ে রাখি নিজের হাতে। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। ‘আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনা দেয় এই গরিব কৃষক, আপনার মাইনা দেয় এই জমির শ্রমিক। আপনার সংসার চলে এই টাকায়। আমি গাড়ি চড়ি ওই টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলেন। ওদের ইজ্জত করে কথা বলেন, ওরাই মালিক।’ ফখরুল ইমাম বঙ্গবন্ধুর এই উদ্ধৃতি উল্লেখ করে বলেন, সরকার এখনও এই কথাগুলোর ওপর ভরসা করে কি-না। এ বিষয়ে সংসদ নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরাও কিন্তু এটাই বিশ্বাস করি। আমরা ছোটবেলা থেকে সেভাবেই শিক্ষা নিয়েছি। আমার বাবার নির্দেশ ছিল। একজন রিকশাওয়ালাকে আপনি করে কথা বলতে হবে। বাড়ির ড্রাইভারকে ড্রাইভার সাহেব বলতে হবে। আর কাজের যারা লোকজন, তাদের কখনও চাকর-বাকর বলা যাবে না। হুকুম দেওয়া যাবে না। তাদের কাছে সম্মান করে চাইতে হবে। প্রধানমন্ত্রী হতে পারি এখনও কারও কাছে যদি এক গ্লাস পানিও চাইতে হয় (যতটুকু পারি নিজেই করে খাই) তাদের জিজ্ঞেস করি আমাকে এক গ্লাস পানি দিতে পারবে। এই শিক্ষাটা আমরা নিয়ে এসেছি। এখনও মেনে চলি। এটা বাবারই শিক্ষা। শুধু তিনি বলে গেছেন তা না। এই শিক্ষাটা আমাদের দিয়েও গেছেন। কাজেই সেই দিক থেকে আমি মনে করি মানুষ গরিব দেখলে বা ভালো পোশাক না পড়লে তাকে অবহেলা করতে পারে, কিন্তু আমাদের কাছে কিন্তু সেটা না। আমাদের কাছে সবাই সমান সমাদর পায়। বরং যাদের কিছু নাই, তাদের দিকে আমরা একটু বেশি নজর দিই, দৃষ্টি দিই।

করোনা মোকাবিলায় ভবিষ্যত পরিকল্পনা: ভয়াবহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশের ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লিয়াকত হোসেন খোকার (নারায়ণগঞ্জ-৩) লিখিত প্রশ্নের জবাবে করোনাকালীন ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ, চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নতকরণ এবং জরুরি প্রস্তুতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভবিষ্যত কার্যক্রমসমূহ হলো: স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতায় স্বাস্থ্য অধিদফতর, বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় দ্রুত কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন ক্রয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা; পিসিআরসহ ১০টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ৫টি সংক্রামকব্যাধি হাসপাতাল ও ৪টি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রো বায়োলজিক্যাল পরীক্ষাগার স¤প্রসারণ করা, ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান পিসিআর ল্যাব কার্যকর করা, ১৭টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার এবং অতিরিক্ত ১০ শয্যার ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট/আইসিইউসহ সর্বমোট ১৭০ শয্যা চালু করা, প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনফেকসন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল ইউনিট স্থাপন। এর আগে করোনাকালীন বিভিন্ন পদক্ষেপ বিস্তারিত তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ৬৪টি জেলার ৫ হাজার ১০০ জন ডাক্তার এবং ১ হাজার ৭০০ জন নার্সকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট ও ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ৩৯ তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে নব নিয়োগকৃত ২ হাজার ডাক্তার ও ৫ হাজার নার্সের প্রশিক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

নিজের খেলায় চমকে গেছেন ডি ভিলিয়ার্স নিজেই

আ.জা. স্পোর্টস: এবি ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটে ঝড় ওঠা তো ক্রিকেটের সবচেয়ে নিয়মিত দৃশ্যগুলোর একটি। কিন্তু ৮ মাসের বিরতি...

ইতিহাসের পাতায় আফ্রিদি

আ.জা. স্পোর্টস: ইংল্যান্ডের ভাইটালিটি ব্লাস্ট টি-২০তে বল হাতে দুর্দান্ত এক স্পেল করলেন পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। মিডলসেক্সের...

মাত্র ১০ দিনে করোনা জয় করলেন ১০৬ বছরের বৃদ্ধা

আ.জা. আন্তর্জাতিক: মহামারি করোনাভাইরাসকে হারিয়ে মাত্র ১০ দিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের ১০৬ বছরের বৃদ্ধা। রোববার সুস্থ...

নিজের সব সম্পদ দান করে দিলেন এই ধনকুবের

আ.জা. আন্তর্জাতিক: স্বপ্ন পূরণ করলেন এক ধনকুবের। নিজের অর্জিত সম্পদ দান করাই ছিল তার বহুদিনের স্বপ্ন। কয়েকশ' কোটি...

Recent Comments