Thursday, September 29, 2022
Homeদেশজুড়েজেলার খবরস্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার রহিমা খাতুন

স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার রহিমা খাতুন

তারিকুল ইসলাম তারা:

স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার রহিমা খাতুন এখন হাসপাতালে, কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের পাখিউড়া বাজারের পশ্চিম পাশে রোহিঙ্গা পাড়ায় স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন রহিমা খাতুন।

কোদালকাটি ইউনিয়নের তেররশিপাড়া গ্রামের রতন মিয়ার মেয়ে রহিমা খাতুন এর ৪ বছর আগে কোদালকাটি ইউনিয়নের পাখিউড়া বাজারের পশ্চিম পাশে রোহিঙ্গা পাড়া গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে মোমিনুল ইসলাম এর সাথে ইসলামি শরীয়াহমতে ও সরকারী বিধি মোতাবেক কাবিন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর কিছু দিন ভালই কাটছিলো রহিমা খাতুন এর সংসার, এই দেখে রহিমা খাতুন এর বাবা মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে সংসারে উন্নতি করার জন্য পর্যায়ক্রমে নগদ ৮৫ হাজার টাকা, গহনা বাবদ ১৮ হাজার ১ শ টাকা, আসবাবপত্র বাবদ ৭০ হাজার টাকা, মোমিনুল ইসলামকে দেয়। তাতেও মন ভরেনি যৌতুক লোভী মোমিনূল ইসলামের, আবারও মোমিনুল ইসলাম, তার স্ত্রী রহিমার বাবার কাছে নগদ ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবী করেন। রহিমার বাবা অতি গরিব মানুষ, যৌতুক এর টাকা না দেওয়ায়, গত ১৯-০৮-২২ ইং তারিখে রাত আনুমানিক ১০ টা ৩০ মিনিটে রহিমার স্বামী মোমিনুল ইসলাম ঘরের দরজা বন্ধ করে এলোপাথারী মাইরপিট শুরু করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্ঠা চালায়, রহিমার চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন ছুটে এসে রহিমাকে ঘরের ভিতরে মেঝোতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায়।

খবর পেয়ে রহিমার বাবা রতন মিয়া, ছুটে যায় মেয়েকে দেখতে, রহিমার অবস্থা গুরুতর দেখে তাড়া তাড়ি মেয়েকে নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। রহিমার কোলে ১৮ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে, এ দিকে রহিমার স্বামী মোমিনুল ইসলামের কাছে মাইরপিট এর কথা জানতে চাইলে তিনি মাইরপিট এর কথা স্বীকার করে বলেন, আমার মা বাবার সাথে খারাপ আচরন করেছে তাই আমি মেরেছি। অন্যদিকে মেয়ের সু বিচারের আশায় রহিমার বাবা রতন মিয়া বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামী করে রাজিবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments