Sunday, June 26, 2022
Homeআন্তর্জাতিকহামাসকেই ঠেকানো যাচ্ছে না- ইরান হলে কি হবে, উদ্বেগে ইসরায়েল

হামাসকেই ঠেকানো যাচ্ছে না- ইরান হলে কি হবে, উদ্বেগে ইসরায়েল

আ.জা. আন্তর্জাতিক:

ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলের বর্বরতার বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। আর হামাসের মুহুর্মূহু আক্রমণে নাকাল হয়ে পড়েছে দখলদার ইহুদিরা। অন্য যেকোন বারের চেয়ে এবার ইসরায়েল অভিমুখে রেকর্ড পরিমাণ রকেট ছুড়েছে হামাস। আর এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বর্বর ইহুদিরা। ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সাবেক যুদ্ধমন্ত্রী এভিগডোর লিবারম্যান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, হামাসের হামলার মোকাবিলায় যদি ইসরায়েলের এরকম ছন্নছাড়া অবস্থা হয় তাহলে ইরান বা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে কি হবে? ইসরায়েলের ১২ নম্বর টিভি চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি। ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মোকাবিলায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দুর্বলতা স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে। রুশ বার্তাসংস্থা স্পুৎনিক লিবারম্যানের বরাতে এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা এর আগে ফিলিস্তিনিদের মোকাবিলায় এতটা দুর্বলতা দেখায়নি। এজন্য নেতানিয়াহুর চলমান রাজনৈতিক দুর্বল অবস্থানের কথা উল্লেখ করে লিবারম্যান বলেন, এই প্রথম আমাদেরকে দু’টি ফ্রন্টে লড়াই করতে হচ্ছে। একটি গাজার বিরুদ্ধে আরেকটি ইসরাইলের মধ্যে। তার ভাষ্যমতে, নেতানিয়াহু ইসরাইলি জনগণের সামনে নিজের ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করতে গিয়ে সেনাবাহিনীকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। আর এর ফলে হামাসের বিজয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লিবারম্যান এমন সময় এসব কথা বললেন যখন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে হামাসসহ অন্যান্য প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবসহ প্রায় প্রতিটি শহরে আঘাত হানছে। আয়রন ডোম নামক ইসরাইলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে হামাসের সব রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। এসব হামলার মোকাবিলায় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের কোনো ক্ষতি করতে না পারলেও গাজার বেসামরিক অবস্থানে নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে অসংখ্য নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে যাচ্ছে ইহুদিবাদী ইসরাইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments