নিজস্ব সংবাদদাতা : জামালপুরে সুজেদা বেগম (৩২) নামের এক নারীকে ধর্ষণ মামলায় মজমত আলী (৪৫) নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করেছে আদালত। গতকাল রোববার ৩০ নভেম্বর দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। সুজেদা বেগম বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালের বাত্তী এলাকার সহিজল হকের মেয়ে ও অভিযুক্ত মজমত আলী একই মৃত ইরফান আলীর ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, ২০১৩ সালে স্বামীর কাছ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় সুজেদা বেগমের। এরপর থেকেই বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালের বাত্তী এলাকায় বাবার বাড়ীতে বসবাস করে আসছিলো সে। সুজেদা বেগম অন্যের বাড়ীতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো। একই এলাকায় মজমত আলী সুজেদা বেগমকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। গত ২০২০ সালের ১৯ জুলাই রাতে মজমত আলী সুজেদা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পরবর্তী সময়ে সুজেদা বেগম অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। ধর্ষণের অভিযোগে ওই বছরের ২৪ জুলাই বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সুজেদা বেগম। মামলায় ১০ জনের মধ্যে ৭ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামীর অনুপস্থিতে আজ রায় ঘোষণা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় রায়ে আসামী মজমত আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে প্রদানের আদেশ দেয় আদালত। মামলায় বাদী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুল হক ও আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ।
জামালপুরে এক নারীকে ধর্ষণ মামলায় এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান
