ঢাকা উত্তরের ৫৯৯ কেন্দ্রে হাম-রুবেলার টিকাদান শুরু

সারাদেশে শিশুদের মাঝে হামের প্রকোপ ছড়িয়ে পরার মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১০টি অঞ্চলে স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে ৫৯৯ কেন্দ্রে জরুরি টিকাদান শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার রাজধানীর কড়াইল এলাকায় এ ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। ১১ মে পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ডিএনসিসি এলাকায় ৫৪টি স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র এবং ৫০২টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ৩৫টি ইভিনিং সেন্টার ও ৮টি ফ্রাইডে সেন্টারের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে মোট ৫৯৪ জন টিকাদান কর্মী, ৬৫০ জন ভলান্টিয়ার এবং ২০৩ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী প্রতিটি শিশুকে অবশ্যই এই টিকা দিতে হবে। প্রথমে দেশের ১৭টি উপজেলায় এবং পরবর্তীতে ৪টি সিটি করপোরেশনে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, ইউনিসেফের ইম্যুনাইজেশনের হেলথ ম্যানেজার রিয়াদ মাহমুদ, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স, বিশ^ সাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রাজেশ নারওয়াল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, “মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালকে একটি জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে নগরবাসীকে আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা যায়।”