পার্বত্য অঞ্চলের উৎসব জাতীয় ঐতিহ্যকে বর্ণ-বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব জাতীয় উৎসবেরই অনুষঙ্গ। পার্বত্য অঞ্চলবাসীসহ বাংলাভাষীরা বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য জাতিসত্তা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর প্রধান সামাজিক উৎসব- বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু ও বিহু এবং নববর্ষ উপলক্ষে সব সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা। এসব উৎসব পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলেও উল্লেখ করেন তিনি। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য জাতীয় ঐতিহ্যকে বর্ণ-বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেশের সংস্কৃতির মূলভিত্তি এবং মানুষে মানুষে আত্মিক বন্ধনের ঐতিহ্য এ দেশের মাটির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তিনি আরও বলেন, শ্রদ্ধাহীন ও অসহিষ্ণু সংস্কৃতি দেশের ঐতিহ্যের অংশ নয়; বরং শান্তি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্মানই বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূল সুর। বাণীতে বিএনপি মহাসচিব দেশের সব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমান অগ্রগতি ও বিকাশ কামনা করেন। একই সঙ্গে বাংলা নববর্ষের সব আয়োজন সুন্দর ও সার্থক হোক- এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সবার জীবন আনন্দঘন ও সুখময় হওয়ার কামনা জানান তিনি।
পার্বত্য অঞ্চলের উৎসব জাতীয় ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
