বিজয় দিবস হোক নতুন প্রজন্মের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দিন-মোহাম্মদ খোরশেদ আলম

বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবময় অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই বিজয় শুধু একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের জন্মই নয়, বরং বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা, সাহস ও ঐক্যের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। এই দিনটি আমাদের নতুন প্রজন্মের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দিন । নতুন প্রজন্মের জন্য এই দিনটি হচ্ছে প্রেরণা, নতুন আশা ও নবচেতনার উৎস হিসেবে কাজ করবে।১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) ‘মহান বিজয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলম এ  কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন-  বিজয় দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা কোনো উপহার নয়, এটি অর্জিত হয়েছে লাখো শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে। সেই ত্যাগের স্মৃতি আমাদের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং জাতি হিসেবে নিজেদের করণীয় সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শক্তি আমরা পাই এই বিজয়ের ইতিহাস থেকে।
জাতীয় জীবনে বিজয় দিবস আমাদের ঐক্যের শিক্ষা দেয়। মত-পথের ভিন্নতা সত্ত্বেও একটি অভিন্ন লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হলে জাতি কতটা শক্তিশালী হতে পারে—১৯৭১ তারই প্রমাণ। এই প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা আজ উন্নয়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে পারি।
বিজয় দিবস কেবল অতীত স্মরণের দিন নয়; এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের পথচলার দিশারি। জাতীয় জীবনে নতুন প্রেরণার উৎস হিসেবে এই দিনটি আমাদের শপথ করায়—স্বাধীনতার চেতনায় দেশ গড়ে তুলব, শহীদদের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করবো।