মোহাম্মদ আলী : একযুগ আগে শুরু হওয়া জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি ! হাত দেওয়া হয়নি এখনো হাসপাতাল ভবন নির্মাণের কাজে। হাসপাতাল ভবনের স্থলে হচ্ছে মাছ চাষ। কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না জেলাবাসী। খুব শিঘ্রই নতুন টেণ্ডার হচ্ছে বলে, আশ্বাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ২০১৪ সালে জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। জানা যায়, জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি ও একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে ২০১৪ সালে জেলা শহরের মনিরাজপুরে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়ছে। ইতোমধ্যে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবন, আবাসিক ভবন ও ছাত্রাবাস নির্মাণের কাজ শেষ হলেও হাসপাতালের মূল ভবন নির্মাণ এখনো শুরু হয়নি। সেখানে এখন পুকুর হয়ে আছে। তাতে চাষ হচ্ছে মাছ। এদিকে জামালপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ও চিকিৎসক না থাকায় রেফার ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন জেলার রোগী সাধারণরা। বড় ধরনের কোনো রোগে আক্রান্ত হলেই তাদেরকে দৌঁড়াতে হচ্ছে ময়মনসিংহ ঢাকায়। সেসব হাসপাতালে নিতে নিতে প্রাণ যাচ্ছে অনেকের ! অপরদিকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রশাসনিক কাজে গতি সঞ্চার হচ্ছে না। মুখোমুখি হতে হচ্ছে নানা জটিলার।
এব্যাপারে জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ, ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, হাসপাতালটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে এর সুফল পাবেন জামালপুর ও তার আশপাশের অঞ্চলের মানুষ। ৫শ শয্যা হাসপাতালের সকল সুযোগ সুবিধা মিলবে এ হাসপাতালে। তিনি আরো বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, হাসপাতাল ভবনটি দ্রুত নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে টেণ্ডার আহবান করা হয়েছে। খবরটি সঠিক হলে খুব শিঘ্রই এর নির্মাণ কাজ শুরু হবে, বলেও আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি।
একযুগেও শেষ হয়নি জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ
