শামীম আলম ; জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার চরপটিমারি ইউনিয়নের বেনুয়ারচর সর্দারপাড়া গ্রামে জমিজমা বিষয় কে কন্দ্রে করে ৫ ভাতিজামিলে কপিয়েছে তার চাচা ও চাচাতো ভাইকে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায় তার ভাতিজিরা। তারপর আহত অবস্থায় সামিদুর রহমান ও তার ছেলে হাসিবুল হাসান শান্তকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা যায়, ইসলামপুর উপজেলার বেনুয়াচর সর্দারপাড়া গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত সামিদুর রহমান তার বড় ভাই মৃত আজিজুল হকের পাচঁ ছেলের সাথে দীর্ঘদিন জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সামিদুর রহমান মাস্টার ও মৃত আজিজুল হক এরা এক বাপের সন্তান তাদের বাবা রেখে যাওয়া সম্পত্তি দুই ভাই ভাগ করে নিলেও ভাতিজিরা মেনে নেয়নি। বিভিন্ন সময় তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের মেরে ফেলার হুমকী দেয় ভাতিজিরা। গত ৪ ডিসেম্বর বেনুয়াচরের সর্দারপাড়া গ্রামে দুপুর প্রায় আড়াইটা দিকে বাদীর ছেলে ধান কাটছিল সেখানে কপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে আসামিরা। তার ছেলেকে দা দিয়ে কপিয়ে দৃশ্য পিতা দেখলে চাচা ক্ষেতে গেলে তাকেও কপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একদিন পর সামিদুর রহমান মাস্টার তার ভাতিজার বিরুদ্ধে ইসলামপুর থানায় ৬জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ কারীরা হলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম(৩৮, মোঃ মামুন মিয়া (৩২), রেজাউল করিম(৩৫), মোঃ মাসুদ রানা(৩০), মোঃ বিপুল মিয়া(২৮)। এই ব্যাপারে আসামিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। চরপটমারি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সুরুজ মাস্টারের সাথে এই বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন, দোষি আসামীদের বিচার হওয়া দরকার কারন নিজের আপন চাচাকে এইভাবে দিনের বেলা কপিয়ে মারে।
সামিদুর রহমান মাস্টারের স্ত্রী বলেন, আমার স¦ামী ও ছেলেকে ৫-৬ জন মিলে দা,বল্লা, চাইনিচ দিয়ে কবিয়ে হত্যা করার উদেশ্য আত্রুমন করে আসামীরা আমি তাদের বিচার চাই।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, আমি এই ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি আইন গত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ইসলামপুরে চাচাকে কপিয়েছে ৫ ভাতিজামিলে : থানায় অভিযোগ
