বরিশাল ছাড়া দেশের সাত বিভাগে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর; পাশাপাশি দেশের সব বিভাগে কমবেশি বৃষ্টি ঝরতে পারে। এই মাসের বাকি অংশ জুড়ে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা। তিনি গতকাল সোমবার জানান, “বরিশাল অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে, তবে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা কম। আগামী চারদিন এরকম ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে। এরপর থেকে কমে আসবে। তবে, এরপরও রংপুর সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকবে। তবে, সারাদেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে।” গতকাল সোমবার কালবৈশাখী ঝড় সম্পর্কিত বিশেষ সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, গতকাল সোমবার বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিদুৎ চমকানোসহ পশ্চিম বা উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকালের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়, সকাল ৯টা থেকে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পাশাপাশি রাঙ্গামাটি, লক্ষ্মীপুর ও বান্দরবান জেলার উপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাঙামাটিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই সময়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ময়মনসিংহে ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করা হয়েছে টাঙ্গাইলে।
রাজধানী ঢাকাসহ সাত বিভাগে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস
