একজনকে চাপা দেওয়ার পর দুই ট্রাকে অগ্নিসংযোগ

রাজশাহীর পুঠিয়ায় বালুবাহী একটি ট্রাক এক ব্যক্তিকে চাপা দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় অনেক দূর। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঘটনা দেখে সঙ্গে সঙ্গে ফুঁসে ওঠেন স্থানীয়রা। সড়ক অবরোধ করে আগুন দেন দুটি ট্রাকে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের রাজশাহীর পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকায়। পেশায় দরজি। তার বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তার একটি টেইলারের দোকান রয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশেই তার লাশ রাখা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমানসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সকাল ৭টার দিকে খাবারের দোকানে নাশতা সেরে রাস্তা পার হচ্ছিলেন আকরাম। এ সময় বালুবাহী দুটি ডাম্প ট্রাক পুঠিয়াবাজার থেকে নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। একটি ট্রাক আকরামকে চাপা দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাক দুটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। যারা এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন, তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে আগুনে পুড়িয়ে দেয় জনতা। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রথমে পুলিশের ওপরও চড়াও হয়। পরে ওসির কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি জানান, দিনের বেলায় ওই এলাকায় কোনো ডাম্প ট্রাক চলতে দেওয়া যাবে না। সড়কে স্পিডব্রেকার বসাতে হবে। ওসি এসব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। ফায়ার সার্ভিস রাজশাহীর উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতার কারণে তিনি ঘটনাস্থলে যেতে ভয় পাচ্ছেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনাস্থলে যাবেন।