রৌমারী সংবাদদাতা
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঘরবাড়ি ভাংচুরকে কেন্দ্র করে ও মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হযরত আলী। গত রোববার ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে রবিউল ইসলাম রানা মেম্বারের অফিস কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। ভুক্তভোগী হয়রত আলী বলেন, উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের হাফাতীপাড়া গ্রামের আনছার আলী ও আজকার আলীর কাছ থেকে ২০০০ সালে পৃথক ৩ টি দলিল মুলে সাড়ে ১৫ শতক জমি ক্রয় করে ফলজ ও বনজ বৃক্ষাদী রোপন করে ভোগদখল করে আসছিলেন। গত ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে জমিতে টিউবওয়েলের পানি যাওয়াকে কেন্দ্র করে হযরত আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগমের সাথে ওমর আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলীর কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। কিছুক্ষন পর কসবউদ্দিন চৌকিদার এর নেতৃত্তে একদল ভাড়াটিয়া গুন্ডা লাঠিসোঠা ও দেশিয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে কহিনুরের বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভেঙ্গে ফেলে কিছু নগদ অর্থ স্বর্ণলঙ্কার নিয়ে যায়। এসময় বাধা দিতে গেলে তারা কহিনুর বেগমকে বেধরক মারপিট করে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং কহিনুরকে উদ্ধার করে রৌমারী হাসপাতালে নিয়ে যায়। এঘটনায় হযরত আলী বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। অপর দিকে আকবর আলীর স্ত্রী মধু মালাগং শুধু বাড়ি ঘর ভাংচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি। মধুমালা বাদী হয়ে উদ্দেশ্যমুলক ৪ জনকে আসামী করে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় মো: তারা মিয়া, ময়না খাতুন ও হযরত আলীকে আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে ঘটনাস্থলে কেউ উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তারা। এই মামলায় সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য রৌমারী থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত। উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনের সাথে ঘটনার কোন মিল নেই বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী হযরত আলী। তাই আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবী করছি এবং সেই সাথে সঠিক ভাবে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী করছি।
রৌমারীতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
