দেশের কৃষিখাতের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন উৎস থেকে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টন টিএসপি ও ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৪৬৪ কোটি টাকা। গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত আলাদা ২টি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রস্তাব দুটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। এসময় কমিটির সদস্য ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। বিএডিসি কর্তৃক মরক্কো থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নবায়িত চুক্তির মাধ্যমে টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাব সিসিইএ সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। ইতঃপূর্বে সম্পাদিত চুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় বিগত ২০২৫ সালে ২ জুলাই পুনরায় সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নবায়ন করা হয়। সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে মোট ব্যয় হবে ২ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর দাম পড়ে ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। সভায় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ক্রয়ের একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাফকো থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টন ইউরিয়া সার ক্রয়ের সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি মোতাবেক সারের মূল্য নির্ধারণ করে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কিনতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৬২ লাখ ২২ হাজার ২৫০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার দাম পড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
৪৬৪ কোটি টাকায় ৬০ হাজার টন সার আমদানি করবে সরকার
