টাইটানিকের মতো সিনেমা বানাতে চান উর্বশী

২০২৬ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের হয়ে লাল গালিচায় হেঁটেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা। সেখানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেশ গর্বের সঙ্গেই বলেছিলেন অভিনেত্রী- আমি যখনই আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করি, আমি আর উর্বশী থাকি না। তখন আমি স্বয়ং ইন্ডিয়া! কানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিয়েতনামের বিখ্যাত ডিজাইনার জোলিপোলির এই সুন্দর পোশাক পরে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য যারপরনাই আনন্দের বলে জানান উর্বশী রাউতেলা। অভিনেত্রী যাই করেন না কেন, তা লাইমলাইটে আসতে বাধ্য। প্রচার পেয়েই ছাড়বে! সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একগুচ্ছ বোমা ফাটালেন এ অভিনেত্রী। খুব শিগগির রাজনীতিতে যোগ দিতে চলেছেন উর্বশী রাউতেলা। পাশাপাশি নিজের প্রযোজনা সংস্থা চালিয়ে যেতে চান তিনি। অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি ও প্রযোজনার পরিকল্পনা অবশ্যই তালিকায় আছে, তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে আমি একটু বেশিই ব্যস্ত ছিলাম। অভিনয়ের পর তিনি কখনো পরিচালনা করতে চান কি না?-এমন প্রশ্নে কোনো রকম দ্বিধা না রেখে উর্বশী বলেন, হ্যাঁ, আমি গান গাইতে পারি, আর ছবি পরিচালনা করতেও ভীষণ পছন্দ করব। তাই নিশ্চিতভাবেই আমি সিনেমা পরিচালনা করব। কিন্তু কেমন হবে তার প্রথম সিনেমা? উর্বশী যোগ করেন, মানুষ হিসেবে আমি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। তাই আমি একটা জাঁদরেল প্রেমের গল্প পরিচালনা করতে চাই- হয়তো ঠিক ‘টাইটানিক’-এর মতো কিছু একটা! উর্বশীর এ সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে আপলোড হতেই শুরু হয়ে যায় হাসির রোল আর ট্রলিংয়ের বন্যা। হাতে একটি কাচের জার নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় এক নেটিজেন খোঁচা দিয়ে লিখেছেন- ‘ইতিহাসের প্রথম অভিনেত্রী, যিনি হাতে কাচের বয়াম নিয়ে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।’ উর্বশীর ‘টাইটানিক’ বানানোর স্বপ্নকে কটাক্ষ করে অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন- ‘এই ছবির নাম হওয়া উচিত টাইটানিক নয়, ট্রাই-প্যানিক!’ তৃতীয় এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘হলিউড নায়িকাদের মতো আচরণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, কিন্তু বাস্তবে স্রেফ হাসির খোরাক হচ্ছেন।’ তবে ট্রলারদের ভিড়ে উর্বশীর ভক্তরাও ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কেউ লিখেছেন- ‘আমাদের উজ্জ্বল নক্ষত্র, তোমার জন্য গর্বিত।’ আবার কারও মতে, ‘উনি সত্যিই প্রতিভাবান, ওর ছবি পরিচালনা করা উচিত।’ অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলাকে সম্প্রতি দেখা গেছে তার জনপ্রিয় ওটিটি সিরিজ ‘ইন্সপেক্টর অবিনাশ সিজন ২’ সিনেমায়। নিজের এ কাজ নিয়ে বেশ আত্মবিশ^াসী অভিনেত্রী। ‘ইন্সপেক্টর অবিনাশ সিজন ২’ আগের চেয়েও অনেক বড়, সাহসী এবং বিস্ফোরক। অ্যাকশন, ইমোশন আর টুইস্টে ভরপুর এ গল্পের অংশ হতে পেরে আমার দারুণ লেগেছে বলে জানান অভিনেত্রী।