২০১০ সালের একটি পুরোনো মৃত্যুর মামলায় বলিউডের ড্রামা কুইন খ্যাত রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ঘইড) জারি করেছে উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি আদালত। দীর্ঘ ১৬ বছর আগের এক বিতর্কিত ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। ২০১০ সালের ঘটনা। ঝাঁসির প্রেমনগর এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মণ নামের এক যুবক তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিবাদের জেরে রাখি সাওয়ান্তের সঞ্চালনায় একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন। অভিযোগ ওঠে, ওই শো-এর মঞ্চেই রাখি লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে অত্যন্ত অবমাননাকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারের পর ভয়ংকর মানসিক অবসাদ ও সামাজিক হেনস্তার শিকার হন ওই যুবক। মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে সে বছরই তিনি মারা যান লক্ষ্মণ। লক্ষ্মণের মৃত্যুর পর রাখিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা করেন ওই যুবকের মা। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার পাশাপাশি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করার ধারাও যুক্ত করে মামলা হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও চার্জশিট দাখিলের পর অবশেষে আদালত এই পরোয়ানা জারি করেছেন। ঝাঁসির জেলা সরকারি আইনজীবী মৃদুলকান্ত শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খুব দ্রুত রাখি সাওয়ান্তকে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করতে হবে। ১৬ বছর আগের এই মর্মান্তিক ঘটনার জেরে এখন এই অভিনেত্রীর মাথার ওপর গ্রেপ্তারির খাঁড়া ঝুলছে।
আইনি ঝামেলায় পড়লেন রাখি সাওয়ান্ত
