ঢাকা   সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হুদার স্মরণ সভা (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে শুরু হয়েছে শিশুদের টয় ব্রিকস গেইম (জেলার খবর)        সারা দেশের ন্যায় জামালপুরেও পিএসসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষা শুরু (জামালপুরের খবর)        শ্রীবরদীর সীমান্তে গরুর সাথে আসছে মাদক! (জেলার খবর)        জামালপুরে ৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক- ১ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ৫ গ্রাম হেরোইনসহ আটক-১ (জামালপুরের খবর)        চার দিনে মেলায় কর রাজস্ব আয় ১৩৪৬ কোটি টাকা (অর্থনীতি )        ট্রেনের ধাক্কায় নয়, পরিকল্পিত খুনের শিকার শরীফ (অপরাধ)        দুবাই এয়ার শো-তে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান (জাতীয়)      

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির দুইদিনের কর্মসূচি

Logo Missing
প্রকাশিত: 10:13:34 am, 2019-10-31 |  দেখা হয়েছে: 7 বার।

ঢাকা ডেক্স:

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দুইদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। গতকাল বুধবার দলের যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ৭ নভেম্বর সকাল ৬টায় সারাদেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং ৬ অথবা ৮ নভেম্বর আলোচনা সভা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির যে ইতিহাস, সেই ইতিহাসের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ দিনটি হচ্ছে ৭ নভেম্বর। আমরা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুরো নভেম্বর মাসেই আমরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে এ দিবসটি পালন করব। অঙ্গসংগঠনগুলো নিজস্ব কর্মসূচি গ্রহণ করবে আলোচনা সভা ও মিছিলের মাধ্যমে। কেন্দ্রীয়ভাবে আমরা ৬ অথবা ৮ তারিখে আলোচনা করব। আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছে জনসভা করার, তা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে ঠিক করে আপনাদের জানাব। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে পোস্টার ও ক্রোড়পত্র-লিফলেট প্রকাশ করবে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। সে সময় দেশে একদলীয় শাসনের হাত থেকে সিপাহি-জনতার সমন্বয়ে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। আজো বাংলাদেশে সে রকম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি নেতা আরো বলেন, আমরা দেশের নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছি না। বর্তমান সরকার ক্রীড়নকে পরিণত হয়েছে। অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে। কৃষক ধানের দামসহ উৎপাদিত পণ্যের মূল্য পাচ্ছে না। দেশে গণতন্ত্র না থাকায় এসব হচ্ছে। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আরো বলেন, যিনি দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছেন, সেই গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ২০ মাস ধরে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। তাঁর প্রাপ্য জামিনও দিচ্ছে না। আমরা ৭ নভেম্বর সামনে রেখে মাসব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের কাছে যেতে চাই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করব। সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা গুরুতর অসুস্থ। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যৌথ সভার পর সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, মীর সরফত আলী সপু, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আবদুস সালাম আজাদ, তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, আকম মোজাম্মেলন হক। অঙ্গসংগঠনের মধ্যে মহানগর বিএনপির কাজী আবুল বাশার, এ বি এম এ রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, জেবা খান, নায়াব ইউসুফ, স্বেচ্ছাসেবক দলে সাদরেজ জামান, মৎস্যজীবী দলের রফিকুল ইসলাম মাহতাব, নাদিম চৌধুরী, উলামা দলের নজরুল ইসলাম তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, সেলিম রেজা, শ্রমিক দলের মোস্তাফিজুল করীম মজুমদার, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, এস কে সাদী, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, জাসাস আহসান উল্লাহ চৌধুরী, জাকির হোসেন রোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।