ঢাকা   রবিবার ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  নাটোরে হত্যা মামলার সাক্ষীকে কুপিয়ে হত্যা (জেলার খবর)        উগ্র সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণ না করলে উন্নয়ন থমকে যাবে: মেয়র খোকন (ঢাকা)        শিক্ষার উন্নয়নে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর (শিক্ষা)         ওসি মোয়াজ্জেমের গ্রেফতারি পরোয়ানা যশোরে পৌঁছেছে (জেলার খবর)        ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ (জাতীয়)        বাজেট দিতে হাসপাতাল থেকেই সংসদে গেলেন অসুস্থ অর্থমন্ত্রী (জাতীয়)        চট্টগ্রামে কৃত্রিম পরিবেশে জন্মালো ২৬টি অজগর ছানা (চট্রগ্রাম)        শেখ হাসিনার নির্বাচিত উক্তি নিয়ে দু’টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন (জাতীয়)        রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ (জাতীয়)         বেনাপোলে একদিনে রেকর্ড পরিমাণ আমদানি পণ্যের চালান (জেলার খবর)      

খালেদার প্রার্থিতা নিয়ে বিভক্ত আদেশ: বিস্তারিত লেখার জন্য নথি ফেরত

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:11:35 pm, 2018-12-12 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আজ ডেক্সঃ দুর্নীতি মামলায় দ-িত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রের বৈধতা প্রশ্নে হাই কোর্টের আদেশটি স্পষ্ট করতে মামলার ফাইল বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা সাঈফুর রহমান বলেন, গতকাল (গত মঙ্গলবার) খালেদা জিয়ার মনোনয়ন সংক্রান্ত যে দ্বিধা বিভক্ত আদেশ হাই কোর্টে হয়েছে, সেটির কারণ উল্লেখ করে ডিটেইল আদেশ লেখার জন্য প্রধান বিচারপতি তা আবার সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছেন। গতকাল বুধবার হাই কোর্ট বেঞ্চ থেকে ফাইল পাওয়ার পর প্রধান বিচারপতি নতুন বেঞ্চ গঠন করে দিলে সেখানেই খালেদা জিয়ার আবেদনের নিষ্পত্তি হবে। তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাই কোর্ট বেঞ্চে গত মঙ্গলবার ওই আবেদনের ওপর শুনানি করে গত মঙ্গলবার বিভক্ত আদেশ দেয়। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ইসিকে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার নির্দেশ দিতয়ে রুল জারি করেন। খালেদার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। অন্যদিকে বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলে খালেদার ভোটের ভাগ্য আটকে যায়। হাই কোর্টের আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু দুইজন বিচারপতি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি, সেজন্য এখন বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি পরবর্তী বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেবেন। আইনগত অবস্থা যা দাঁড়াল, এখন পর্যন্ত উনি (খালেদা জিয়া) কোনো আদেশ প্রাপ্ত হননি। অন্যদিকে খালেদার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আদেশের পর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি, তৃতীয় বেঞ্চে আমরা ন্যায় বিচার পাব, সঠিক সিদ্ধান্ত পাব। জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছর এবং জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৭ বছরের দ- নিয়ে গত ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। বিএনপি নেতারা আশা করছিলেন, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে তিনি ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। সে অনুযায়ী তাকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ এবং বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে প্রার্থী করেছিল বিএনপি। তার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন বিএনপি নেতারা। কিন্তু নভেম্বরের শেষে হাই কোর্টে এক মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কারও দুই বছরের বেশি সাজা বা দ- হলে সেই দ- বা সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপিলে ওই দ- বাতিল বা স্থগিত হয়। এর ফলে খালেদা জিয়াসহ বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতার আপিল করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ আটকে যায়। এরপর ২ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে দুই বছরের বেশি সাজার কারণ দেখিয়ে খালেদা জিয়ার তিনটি মনোনয়নপত্রই বাতিল করে দেওয়া হয়। খালেদার আইনজীবীরা ওই সিদ্ধান্ত বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেও বিফল হন। এরপর তারা রিট আবেদন নিয়ে আসেন হাই কোর্টে।