খাদেমুল ইসলাম
“জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে সরকারি একেএম বিশ^বিদ্যালয় ডিগ্রি কলেজ কে একটি মান উন্নীত অনুকরণীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এ কলেজকে সত্যিকারের মানুষ গড়ার কেন্দ্র হিসেবে গড়ার লক্ষে সকল শিক্ষককে সাথে নিয়ে আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি, আশা করছি, এতে আমরা সফল কাম হবো ইনশাল্লাহ।” উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন, দেওয়ানগঞ্জ সরকারি একেএম বিশ^বিদ্যালয় ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খায়রুজ্জামান (১৭শ বিসিএস)। ১৫ অক্টোবর বৃহষ্পতিবার সকালে তার অফিস কক্ষে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি আরো বলেন, বর্তমানে কলেজে শিক্ষক সংখ্যা ২৬ জন, শিক্ষার্থী প্রায় ২ হাজার ৫ শত জন। রাজস্ব ভুক্ত কর্মচারী ৫ জন, বেসরকারি কর্মচারী ৮ জন। তিনি বলেন, কলেজে ১০ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। সমস্যার ব্যাপারে বলেন, কলেজের ৩টি নলকূপের মধ্যে ২টি সচল ১টি অকেজো। এখানকার পানীয় জল আয়রন যুক্ত। সামান্য বৃষ্টিতে মাঠে পানি জমে। এতে খেলাধূলা ও চলাচলে দারুন বিঘ্ন ঘটে। কলেজে দোতলা সায়েন্স বিল্ডিংটি অকেজো। খেলাধূলার সরঞ্জামাদির অভাব। কিছুদিন আগে তিনি, ২০ হাজার টাকার ক্রীড়া সামগ্রী কিনেছেন। ভবন মেরামত, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমের প্রয়োজনের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। একান্ত আলাপে তিনি আরো জানান, তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বরাবর কলেজের একাডেমিক ও সার্বিক উন্নয়ন বিষয়াদি উল্লেখ করে একটি আবেদন দিয়েছেন। এছাড়া কলেজে শিক্ষক পদায়ন, অবকাঠামো ও শিক্ষা উপকরণ প্রদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ খায়রুজ্জামান মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মন্ত্রী মহোদয় কলেজ উন্নয়নে ৪ তলা একাডেমিক ভবনের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, শহীদ মিনারের জন্য ১২ লাখ টাকা, বাউন্ডারী ওয়ালের জন্য ৭২ লাখ টাকা এবং মেরামত/সংস্কারের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা বেজায় খুশি। দূঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ খায়রুজ্জামান এ সাংবাদিককে বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে এ কলেজকে দেশের একটি ঈর্ষনীয় অনুকরণীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দাড় করাবো ইনশাল্লাহ।
দেওয়ানগঞ্জ সরকারি একেএম ডিগ্রি কলেজ-কে একটি অনুকরণীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার স্বপ্ন আমার -প্রফেসর মোঃ খায়রুজ্জামান
