জামুকা বিগত ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত মোট ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার নামের গেজেট তালিকা বাতিলের সুপারিশ করায় মন্ত্রণালয় হতে তাদের গেজেট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতি করেন। আহমেদ আযম খান বলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত উপকমিটি কর্তৃক তদন্ত/শুনানির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে অমুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হলে গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত/শুনানি করা জামুকার একটি নিয়মিত কাজ এবং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। রংপুর-৪ সংসদীয় আসন হতে কোন গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত উপকমিটি কর্তৃক তদন্ত/শুনানি মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে অমুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা হতে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হবে। তিনি বলেন, এ মন্ত্রণালয়ে আগস্ট ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৪২টি অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত অভিযোগের আবেদন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগের আবেদন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক যাচাই বাছাই/তদন্ত করে কাউন্সিলের সভার সুপারিশের প্রেক্ষিতে আগস্ট ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৪৮১ (চারশত একাশি) জন ব্যক্তির গেজেট/লালমুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা বাতিল করার সুপারিশ করায় এ মন্ত্রণালয় হতে তাদের গেজেট/লালমুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৬৪৭৬ জনের গেজেট/লালমুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে।
৪৮১ অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী
