নকলের জন্মসাল ১৯৭২: শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষায় নকলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক বলেছেন, নকলের ডেট অব বার্থ (জন্মসাল) ১৯৭২ সাল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে আমরা নকল বন্ধ করেছিলাম, এবারও আর নকল হতে দেব না। গতকাল শনিবার কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবরা অংশ নেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষকরাই নকলের সূচনা করেছিলেন, আবার তারাই তা বন্ধ করেছিলেন। তাই নকল প্রতিরোধে শিক্ষকদের আন্তরিকতার ওপরই তিনি গুরুত্ব দেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নকলের ধরন বদলে ডিজিটাল হয়েছে। এ কারণে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে কিংবা বাইরে থেকে নকল সরবরাহে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি বাথরুমে নকল পাওয়া গেলেও কেন্দ্র সচিবদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের নতুন প্রজন্ম সত্য ও নৈতিকতার পথে এগোচ্ছে, তাই ফলাফল নিয়ে ধসের আশঙ্কা নেই। কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে এর কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, বিদ্যুৎ না থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা এবং কোচিং সেন্টার বন্ধের দিকেও জোর দেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সহায়ক ক্লাস নেওয়ার পরামর্শ দেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বোর্ড চেয়ারম্যান মো. শামছুল ইসলাম। এছাড়া বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।