নিজস্ব সংবাদদাতা
জামালপুরে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদ জাল হওয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ইনডেক্স কর্তন করেছেন। ইনডেক্স কর্তনের জন্য আবেদন করেছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। গত২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আবেদন করেন। সেই আবেদনে গত ১২ জানুয়ারি ময়ময়নসিংহ পরির্দশক বিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মুর্শিদা করিম মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে ইনডেক্স কর্তনের শুনানীতে সখল প্রমাণসহ উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি দেন। ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ১০নং গাইবান্ধা ইউপি মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার এনামুলের সহযোগিতায় সহকারী মৌলভী ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার নিবন্ধন সনদ জাল। তিনি ১২তম নিবন্ধন জাল সনদ দেখিয়ে মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন গত ২৬-১২-২০১৫ইং তারিখে অথচ ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ৪ মার্চ ২০১৬ সালে। মজার বিষয় হচ্ছে বিয়ার আগে বাচ্চা হয়েছে।
জানা যায়,দোসর আওয়ামীলীগের উলামালীগের পাওয়ার খাঁটিয়ে এই হাবিবুর রহমান নিবন্ধন সনদসহ একাডেমিক সনদ ও কওমী মাদ্রাসার কাফিয়ানা সনদ জালিয়াতির মূল হোতা বানিজ্য করতেন। সনদ জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। প্রতিনিয়োত হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন সাংবাদিক নজরুলকে। এ বিষয়ে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অভিযোগকারী হয়েছে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ(এনটিআরসিএ) মহাপরিচালক বরাবর গত ২২এপ্রিল তারিখে অভিযোগ দেন সনদটি জাল ও ভূয়া। গত ১৫ নভেম্বর কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে যাচাই বাছাই পূর্বক সহকারী পরিচালক মো:সাইফুল ইসলাম (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন-২) এনটিআরসিএ,ঢাকা, প্রতিবেদন দেন হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভূয়া। গত ২৮ নভেম্বর ভূয়া সনদের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বরাবর ইনডেক্স কর্তনের জন্য আবেদন করেন সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) মাহবুবুল হক আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব দেন সহকারী পরিচালক(সরকারি ও সিনিয়র মাদ্রাসা) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মো:আসাদুজ্জামান সাহেব কে। তাঁর সহযোগিতায় ময়ময়নসিংহ পরির্দশক বিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মুর্শিদা করিম ময়মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,ভূয়া সনদ জালিয়াতি শিক্ষক হাবিবুর রহমান,সভাপতি/মাদ্রাসা সুপার এনামুল এবং আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে গত ১৯ জানুয়ারী সময় ১১:০০ঘটিকায় শুনানীর জন্য উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে সকল তথ্য প্রমাণসহ স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য চিঠি দেন। অভিযোগকারী সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নির্দিষ্ট সময়ে উপর্যুক্ত প্রমাণসহ উপ-পরিচালক(প্রশাসন)এর অফিস কক্ষে উপস্থিত হন এবং ভূয়া সনদ জালিয়াতি শিক্ষকের প্রমাণ দেখান ও পুংখানুপুংখভাবে ব্যাখ্যা করেন। ভূয়া সনদ জালিয়াতি শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও দূর্নীতিবাজ সুপার এনামুল ইনডেক্স কর্তনের শুনানীতে উপস্থিত হননি এবং কোন প্রমাণ দেখাতে পারেননি। ময়ময়নসিংহ পরির্দশক বিভাগ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মুর্শিদা করিম মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবেদন দেন সনদটি জাল ও ভূয়া। সনদটি সঠিক নয়। প্রতিবেদন এবং পরিদর্শকের প্রতিবেদনদ্বয় জাল ও ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় মহাপরিচালক ( মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর )কর্তৃক ইনডেক্স কর্তনের মিটিংএ ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ইনডেক্স কর্তন করেন এবং নির্দেশ প্রদান করেন যে,জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষকের সমদয় অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরৎপূর্বক সনদ জালিয়াতিকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য । তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে আরোও ০৬ জন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। খুব শীঘ্রই তাদের তথ্য প্রকাশ করা হবে
এই বিষয়ে মরাকান্দি নছিমুন্নেছা দাখিল মাদ্রাসার সুপার এনামুল হকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
মরাকান্দি নছিমুন্নেছা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হাবিবুর রহমান ভূয়া সনদ প্রমানিত হওয়ায় ইনডেক্স কর্তন, বেতন ভাতা সরকারী কোষাঘরে ফেরতের নির্দেশ
